ads

সোমবার , ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আজ রোকেয়া দিবস

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ডিসেম্বর ৯, ২০১৩ ১:৪৮ অপরাহ্ণ

begum-rokeaশ্যামলবাংলা ডেস্ক : আজ ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস। দিনটি উদযাপন উপলক্ষ্যে রাজধানীতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রোকেয়া দিবস উপলক্ষে বাংলা একাডেমি আয়োজন করেছে একক বক্তৃতা অনুষ্ঠান। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবে বিপ্লবী নারী সংহতি। পরে রোকেয়া হলের গেটে সমাবেশের  আয়োাজন করা হয়েছে। বিকেল ৪টায় একাডেমির শামসুর রহমান কক্ষে ‘বেগম রোকেয়া : প্রথম নারীবাদী’  বিষয়ে বক্তৃতা দেবেন বাংলা একাডেমির ফেলো অধ্যাপক গোলাম মুরশিদ।
এছাড়াও বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে তিন দিনব্যাপী রোকেয়া মেলার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। মেলায় হস্তশিল্প প্রদর্শনীর পাশাপাশি আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বেগম রোকেয়া জন্ম নেন ১৮৮০ সালে, রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে। তার পিতা জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের সম্ভ্রান্ত ভূস্বামী ছিলেন। তার মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী। তার ২ বোন করিমুন্নেসা ও হুমায়রা, আর ৩ ভাই, যাদের এক জন শৈশবেই মারা যান।
তৎকালীন মুসলিম সমাজব্যবস্থা অনুসারে রোকেয়া ও তার বোনদের বাইরে পড়াশোনা করতে পাঠানো হয়নি, তাদেরকে ঘরে আরবী ও উর্দু শেখানো হয়। তবে রোকেয়ার বড় ভাই ইব্রাহীম সাবের আধুনিক মনস্ক ছিলেন। তিনি রোকেয়া ও করিমুন্নেসাকে ঘরেই গোপনে বাংলা ও ইংরেজি শেখান।
সাহিত্যচর্চায় রোকেয়া : ১৮৯৬ সালে ১৬ বছর বয়সে রোকেয়ার বিয়ে হয় ভাগলপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সাথে। বিয়ের পর তিনি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নামে পরিচিত হন। তার স্বামী মুক্তমনা মানুষ ছিলেন, রোকেয়াকে তিনি লেখালেখি করতে উৎসাহ দেন এবং একটি স্কুল তৈরির জন্য অর্থ আলাদা করে রাখেন। রোকেয়া সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। ১৯০২ সালে ‘পিপাসা’ নামে একটি বাংলা গল্পের মধ্য দিয়ে তিনি সাহিত্য জগতে পদার্পণ করেন। ১৯০৫ সালে রোকেয়া ইংরেজিতে লিখলেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘সুলতানা’স ড্রিম’। ১৯০৮ সালে ‘সুলতানাস ড্রিম’ বই আকারে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বইটি বাংলায় ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নামে ভাষান্তর করা হয়। ওই বইটিকে বিশ্বের নারীবাদী সাহিত্যে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯০৯ সালে সাখাওয়াত হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। এর ৫ মাস পর রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল নামে একটি মেয়েদের স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন ভাগলপুরে। ১৯১০ সালে সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলার ফলে স্কুল বন্ধ করে কলকাতায় চলে যান তিনি। এখানে ১৯১১ সালের ১৫ মার্চ তিনি সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল পুণরায় চালু করেন।
তার উল্লেখযোগ্য রচনা ‘সুলতানাস ড্রীম’। তার অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলো ‘পদ্মরাগ’, ‘অবরোধবাসিনী’, ‘মতিচুর’।

Need Ads
error: কপি হবে না!