ads

সোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৩ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শেরপুরে মানব বন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১৮, ২০১৩ ৭:১৯ অপরাহ্ণ

sherpur-human chain picture-Gh-02-18.11জিএইচ হান্নান, শেরপুর : প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানব বন্ধন ও জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রার্থীদের ব্যানারে ১৮ নভেম্বর সোমবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জেলা শহরের নিউমার্কেট মোড়ে এসব কর্মসূচী পালিত হয়।  এ সময় শেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া, জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী জয়শ্রী দাস ও শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি রাজিয়া সামাদ নিয়োগ প্রার্থীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।  পরে নিয়োগ প্রার্থীদের একটি দল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বরাবর লিখিত পরীক্ষা বাতিলের আবেদন সংবলিত একটি স্মারকলিপি শেরপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উলে­খ করা হয়, গত ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কয়েকদিন আগেই ফাঁস হয়ে যায়। ওই প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ায় শেরপুরের সাধারণ চাকুরি প্রার্থীরা চরম হতাশ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার ফলে মেধাসম্পন্ন প্রার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন হবেনা বলে তাঁরা মনে করেন। এমতাবস্থায় ওই নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল করতঃ নতুন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে তাঁরা স্মারকলিপিতে আবেদন জানান। জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন স্মারকলিপি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত. গত ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় শেরপুরের ৫টি উপজেলার ১০ হাজার ৯৭জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। তবে পরীক্ষার দিন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!