স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিজাম উদ্দিন আহাম্মদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার। এ উপলক্ষে নিজাম উদ্দিন আহাম্মদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সকালে কবর জিয়ারত, দুপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দোয়া মাহফিল ও বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি নবনির্বাচিত পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার নুরুল ইসলাম হীরু, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাছুদ, নিজাম উদ্দিন আহমদ কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম ঠান্ডা ও জেলা চাউলকল মালিক সমিতির সভাপতি আশরাফুল আলম তালুকদার সেলিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাভেন জেলা সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি আমজাদ হোসেন, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম, প্রেস ক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, জেলা চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান ও আওয়ামী লীগ নেতা তাপস চন্দ্র সাহা। সঞ্চালনায় ছিলেন ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব মু. শহীদুল ইসলাম মুকুল।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, নিজাম উদ্দিন আহাম্মদ ছিলেন শেরপুরের রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণের অন্যতম প্রধান দিকপাল। তৎকালীন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হয়েও তিনি ভারতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়ে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকেও তিনি তার উদারতা, দক্ষতা ও সাহসিকতার কারণে সার্বজনীন নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও তিনি মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করেছেন। তিনি কেবল সুদিনে নয়, দুর্দিনেও একই সাহস নিয়ে কথা বলতেন। এমন বর্ষীয়ান নেতার আজ বড়ই অভাব। সুতরাং তার নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজ অবশ্যই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।




