নজরুল ইসলাম বাচ্চু, চারঘাট (রাজশাহী) : উপজেলার চারঘাট, টাংগন, শাহাপুর, ভায়ালক্ষীপুর ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। ৫ মে সোমবার বিকেলে চারঘাট উপজেলার টাংগন ও সাহাপুর এলাকায় ৩ শত পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি চাউল, ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা আবু বাশির, চারঘাট মডেল থানা ইনচার্জ গোলাম মোর্তূজা, উপ সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তা এ, কে, এম শহীদুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, ইউসুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব, কৃষি উপ সহকারী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি একরামুল হক, তুষারসহ স্থানীয় আ’লীগের নেতাকর্মীবৃন্দ। শেষে নবাগত চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তার সাথে মত বিনিময় করেন।
চারঘাট উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ উপজেলা শিক্ষক সমিতির মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। উক্ত অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার ইউসুফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মঙ্গল চন্দ্র মন্ডল ও নাজমুল হক চক কাপাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু তাদের বদলি না করে অর্থের বিনিময়ে পাইটখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রাজিব আলীকে উক্ত বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। অথচ রাজিব বদলির জন্য আবেদন করেন নাই এবং চিঠি ইস্যু রেজিস্টারে তার কোন স্মারক নম্বরও নাই। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিসারের চাপে শিক্ষক মঙ্গল চন্দ্র বদলি আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসারের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও কোন কাজ হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় শিক্ষক জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসে উৎকোচ ছাড়া কোন কাজ না হওয়ায় শিক্ষকরা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন। শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন শিক্ষককে হয়রানি মূলক কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) করে অর্থের বিনিময়ে শোকজ থেকে অব্যাহতি দেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসে নৈশ প্রহরীর একটি পদ শূন্য থাকলেও উক্ত পদে লোক দেখিয়ে নৈশ প্রহরীর বেতন-ভাতা তিনি আতœসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজশাহী শহরে তার একটি বিলাস বহুল বাড়ি নির্মানাধীন থাকায় তিনি নিয়মিত অফিস করেন না এবং বিদ্যালয় মনিটরিং করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে তিনি দাবী করেন।




