শ্যামলবাংলা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের অপহরণ ও খুনের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তারা দলের লোক হলেও ছাড় পাবে না। তিনি ৫ মে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনায় ওই কথা বলেন। বৈঠকের পর মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ বিষয়ে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতি করে না। হত্যার রাজনীতি করে ক্ষমতায় আসেনি। কোন স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে এসব করা হচ্ছে। এসময় মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে করতালি দিয়ে সমর্থন জানান।
মন্ত্রিসভার এক সদস্য জানান, নারায়ণগঞ্জের এ ঘটনায় মন্ত্রিসভার সব সদস্যই উদ্বিগ্ন। প্রধানমন্ত্রীও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজে দেখছেন উলেখ করেন মন্ত্রিসভার এই সদস্য। তিনি জানান, হত্যাগুম খুন যা ঘটছে তা সারা দেশের পরিস্থিতি অস্বাভাবিক প্রমাণ করার জন্য উল্লেখযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময় এর চেয়ে বেশি হয়েছে। তারপরেও প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট সিরিয়াস বলে যোগ করেন এই মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, টাকা বা অন্য কোনো স্বার্থের বিনিময়ে মানুষ খুন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিএনপির কর্মসূচির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অনির্ধারিত বৈঠকে বলেন, এ নিয়ে চিন্তিত নয় সরকার। কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বিকেলে যেভাবে খেয়ে দেয়ে খোকাকে অনশন ভাঙ্গালেন, তাতে মনে হয় বিএনপিই কর্মসূচির বিষয়ে সিরিয়াস নয়।
অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ হোসেন, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।




