ঝালকাঠি প্রতিনিধি : জোয়ার প্লাবিত অঞ্চলে শুকনো মৌসুমে ভূট্টা চাষ বিষয়ে ঝালকাঠিতে কৃষকের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ঢাকাস্থ শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও এগ্রেরিয়ান রিসার্চ ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির সদর উপজেলার সাচিলাপুর ও রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা গ্রামে বুধবারে পৃথকভাবে মাঠ দিবসের আয়োজন করে। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর মোঃ শাদাত উলাহ এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডক্টর এম নূরুল আলম। প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও শেরে বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মোঃ জাফর উলাহ, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডক্টর আবদুল হামিদ, এগ্রেরিয়ান রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর মোঃ আলী আকবর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আবদুল বাতেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক-প্লানিং অধ্যাপক ডক্টর মোঃ কামাল উদ্দিন, ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক কৃষিবীদ আবদুল আজিজ ফরাজি প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। এলাকার কয়েকজন ভূট্টাচাষীও তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, ভূট্টা একটি লাভজনক ফসল। জোয়ার প্লাবিত অঞ্চলে আমন ধান কাটার পর অপেক্ষাকৃত উচু জমিতে ভূট্টার চাষ করা সম্ভব। কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে তিন বছরব্যাপী মাঠ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এতে দেখা যায় উন্নত জাতের ভূট্টা চাষ করে কৃষকরা সহজেই বিঘাপ্রতি ১৮ থেকে ২০ মন ভূট্টা ফলাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ভূট্টার জাত, জমি তৈরি ও বীজ বপন, সার ও সেচ প্রয়োগ, পাকা ভূট্টা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ প্রভৃতি বিষয়ে চাষীদের ব্যাপক ধারণা দেয়াসহ এলাকার চাষীদের ভূট্টাচাষে এগিয়ে আসার আহŸান জানান। তারা বলেন, ভূট্টা চাষ করে চাষীরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং এতে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। দুটি স্থানের মাঠ দিবসে প্রায় চারশ কৃষক ও কিষাণী অংশ নেন। কৃষি বিশেষজ্ঞরা পরে এলাকার কয়েকটি ভূট্টা ক্ষেত পরিদর্শন করেন। এ সময় ফলন দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।




