ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠিতে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা মুনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে রাজাপুরের একটি অসহায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। তিনি রাজাপুর উপজেলা শহরের মৃত মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর মৃধার ন্ত্রী। গতকাল বুধবার দুপুরে শহরের সানাই কমিউনিটি সেন্টারে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার পাশ্ববর্তী মৃত নিমাই মিস্ত্রীর স্ত্রী অমিওবালার কাছ থেকে রাজাপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ২৪৯৫ না দলিল মূলে ১১৩৬ নং খতিয়ানের ৪৯৫১ নং দাগের তফসিলভুক্ত সম্পত্তি ৩.২৫ শতাংশ অথ্যাৎ স্থানীয় মাপের ১কাঠা জমি ক্রয় করেন। পরবর্তিতে ২০০৮ সালে নিমাই মিন্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে অর্থের প্রয়োজনে উক্ত সম্পত্তির পশ্বিম পাশে আর ৪ শতাংশ জমি কবলা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বায়না চুক্তি সম্পাদন করেন। কিন্তু তফসিলভুল সম্পত্তি সরকারের অর্পিত সম্পত্তির (খ) তফছিলভুক্ত তালিকায় থাকার কারনে বায়না রেজিষ্ট্রি করতে না পেরে ঝালকাঠি থেকে নোটারী পাবলিক করা হয়। বর্তমানে খ তফসিলভুক্ত জমি সরকার অবমুক্ত ঘোষনা করলে বায়নাকৃত জমির দখল বুঝিয়ে দিয়ে কবলা করে দেওয়ার কথা বললে চতুর প্রক্রিতির অমিওবালা বায়নানামা অস্বীকার করে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকী দেয়। এরপর তিনি প্রতারিত হয়ে দ.বি. ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা করেন। প্রতারক অমিওবালা জমি না দেওয়ার জন্য বরিশাল বিভাগের চিহ্নিত ভুমি জালিয়াতির অন্যতম হোতা আইউব আলী শরীফের যোগ সাজসে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পদক মুনিরুজ্জামান মুনিরের প্রভাবে তার আপন বোন স্কুল শিক্ষক লিপি বেগম, ভগ্নিপতি মামলাবাজ আবুল কালামসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র অমিওবালার ছেলে অনিমেষের কাছ থেকে একই তফসিলভুক্ত জমির আরেকটি বায়নানামা করে। জমির মালিক অমিওবালা হলেও তার ছেলে কিভাবে বায়নানামায় স্বাক্ষর করে বায়না দিলেন? সাবরেজিষ্ট্রার কিভাবে একজনের জমি অন্যজনের নামে বায়না চুক্তি (নং ২৪৮/৩০১৪)করলেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে কেন্দ্রেীয় আওয়ামীলীগ নেতা মনিরের নির্দেশে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সহয়াতায় ভগ্নিপতি কালাম, ভাই কামরুল, রুবেল, ভাগ্নে সাব্বিরের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন দেশীয় অস্ত্রের মহরায় ১৪৪/১৪৫ ধারা উপেক্ষা করে ধীরে ধীরে ঘর তুলতে থাকে। প্রসাশন নিরব ভুমিকা পালন করছে। এমত অবস্থায় তারা গত ২১ এপ্রিল রাজাপুর সহকারী জজ আদালত তফছিলভুক্ত বিরোধীয় জমিতে সকল ধরনের কার্যক্রম বিরত রাখার নির্দেশ দিলে আতালতের কর্মচারীর সাথে অত্যন্ত দূর্ব্যাবহার করে ফিরিয়ে দিয়ে এ জায়াগায় নতুন ১টি ঘর উত্তোলন করে। তাই তারা এমন অবস্থায় অসহায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেণ। সংবাদ সম্মেলনের পর তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন তার একমাত্র পুত্রটি একমাত্র সম্বল। তারা আতংকিত জীবন যাপন করছেন।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রেীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মুনিরুজ্জামান মুনির বলেন, তার বোন হলেও তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়।




