কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিলার বুড়িচং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কংশনগর বাজারে শনিবার রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ওই বাজারের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৩টি সিএনজি, ১টি পিকআপ ভ্যান, নগদ টাকা মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ভষ্মিভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়। এ সময় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে দোকান মালিক আবদুল লতিফ ভূইয়া ও সিএনজি চালক বিলাল হোসেন নামে ২ জন আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮ টায় কুমিলার বুড়িচং উপজেলার ভারেলা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কংশনগর বাজারের তেল ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ ভূইয়ার তেলের দোকান থেকে মোটর সাইকেলে তেল ভরার সময় মোমবাতির আগুন থেকে প্রথমে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। এ সময় বাজারে বিদ্যুৎ না থাকায় ওই দোকানে মোমবাতির আলোয় কাজ করতে ছিল বলে স্থানীয়রা জানায়। মূহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশেপাশের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। মূহুর্তের মধ্যে আগুনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা ৩টি সিএনজি, ১টি পিকআপ ভ্যান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অর্ধ কোটি টাকার তেল মালামাল ও গ্যাস সিলিন্ডার পুড়ে ভষ্মিভূত হয়ে যায়। খবর পেয়ে কুমিলা, চান্দিনা ও মুরাদনগর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং পুলিশ, জনসাধারণ ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আবদুল লতিফের তেলে দোকান, রফিকের গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান, আবদুর রশীদের ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ, কামরুল হাসানের মা হার্ডওয়্যারের দোকান ও শাহ জাহানের চা দোকান। এ সময় আগুনে আবদুল লতিফ ও বিলাল হোসেন নামে একজন সিএনজি চালক আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুমিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বুড়িচং উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোঃ মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান, বুড়িচং উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আখলাক হায়দার, বুড়িচং থানা ওসি, মোঃ জহিরুল ইসলাম, ওসি তদন্ত কামরুজ্জামান শিকদার সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিশর্দন করেন।




