ads

শনিবার , ১৯ এপ্রিল ২০১৪ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে ভোগাই নদে স্লুইস গেট : পাল্টে দিয়েছে এলাকার কৃষিচিত্র

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১৯, ২০১৪ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

Sluice Gateনালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের সীমান্তবর্তী ভোগাই নদে নির্মিত একটি স্লইস গেট পাল্টে দিয়েছে এলাকার কৃষিচিত্র। এতে স্থানীয়ভাবে কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত সুচিত হয়েছে। স্থানীয় মরা সুতিয়া খাল এখন পানিতে টইটুম্বর। ফলে চলতি মৌসুমে অনেক অনাবাদী জমিসহ সেচের আওতায় আনা হয়েছে ৫শ হেক্টর বোরো জমি। দীর্ঘদিন ধরে অনাবাদী হয়ে পড়ে থাকা ওইসব জমিতে সেচ সুবিধা পেয়ে বোরো ধান চাষ করে খালের দু’পাড়ের কৃষকরা বেজায় খুশি।জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধার কথা ভেবে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ২০১০-১১ অর্থ বছরে জাইকার অর্থায়নে ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের ফুলপুর বান্দের বাজার সংলগ্ন ভোগাই নদীর পাড়ে বিদ্যুতচালিত দুইটি শক্তিশালী মর্টার এবং খালের ৮ কিলোমিটার ভাটিতে একটি স্লুইস গেট নির্মানের ব্যবস্থা করেন।

Shamol Bangla Ads

ওই মর্টারের মাধ্যমে ভোগাই নদীর পানি সুতিয়া খালে নিয়ে মজুদ করা হয়। পরে খাল থেকে পানি এলএলপি পাম্পের সাহায্যে উঠিয়ে মাঠে সেচ দেওয়া হয়। এখান থেকে সেচ সুবিধা নিয়ে উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নের ১২ শতাধিক কৃষক বোরো আবাদ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাবার বাধ কাম ব্রীজ ভোগাই নদীর পানি মজুদ হওয়ার ফলে প্রায় ৬ হাজার একর জমি সেচের আওতায় এসেছে। সেই মজুদ পানি শক্তিশালী মর্টার দিয়ে মাটির নিচ দিয়ে কালভার্ট বসিয়ে নালা তৈরি করে সুতিয়া খালে নেয়া হচ্ছে। খালের দু’পাড়ের ৭শ কৃষক নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘স্লুইস গেট সুতিয়া খাল সমবায় সমিতি’। রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি ও নালিতাবাড়ী- এ ৩ টি ইউনিয়নের ফুলপুর, গেদালুপাড়া, পলাশিয়া, হাতিবান্দা, খুজিকুড়া, চান্দের নন্নী, চিনামারা, কেরেঙ্গাপাড়া, কাউলারা ও বিন্নিবাড়ী গ্রামের কৃষকগণ সেচের সুবিধা পাচ্ছেন।
ওই সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম জানান, এলাকার এমপি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর চেষ্টার ফলে স্বাধীনতার পর এই প্রথম এলাকার কৃষকরা বোরো আবাদ করতে পারছেন। এছাড়া এই সমিতির মাধ্যমে আগামীতে মজুদ পানিতে মাছ চাষ প্রকল্প হাতে নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার কথা ভেবে সেচ করও ধার্য করা হয়েছে উপজেলা সেচ কমিটির নির্ধারিত হারে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, নদীর পানি সুতিয়া খালে মজুদ করে নতুন করে ৫শ হেক্টর বোরো আবাদ সেচের আওতায় এসেছে। আগামী বছর এ আবাদের পরিধি ৮শ হেক্টর ছাড়িয়ে যেতে পারে।

Need Ads
error: কপি হবে না!