নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরায় ১৮ মাসের সন্তানকে ফেলে অজানা উদ্দেশ্য পাড়ি দিয়েছে এক গৃহবধু । মায়ের জন্য অস্থির হয়ে পড়েছে শিশু কন্যা কামরুল নাহার । বাচ্চাকে নিয়ে স্ত্রীর খোজে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে পিতা ইমাদুল ইসলাম ।

৬ এপ্রিল রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে সদর উপজেলার গয়েশ পুর গ্রামের ইমাদুল ইসলাম জানায় , চলতি বছরের ফেব্রæুয়ারি মাসের ১৩ তারিখে তার স্ত্রী তানিয়া খাতুন গবাদি পশু পালন প্রশিক্ষন দেওয়ার জন্য ব্যাকের কুরিয়া অফিসে যায় । এর পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি । তানিযা খাতুন মোবাইল ফোনে ইমাদুল ইসলামের স্বজনদের জানিয়ে দিয়েছে সে নতুন করে জীবন শুরু করেছে । সে এখন যশোরে বসবাস করছে । ইমাদুল ইসলামের সাথে তার আর কোন সম্পর্ক নেই ।
ইমাদুল ইসলাম আরো জানায়, তার স্ত্রীকে নিকট রাখা নগত ৩০ হাজার টাকা , তার দেওয়া ৪০ হাজার টাকার সোনা ও রুপার গহনা ও নিয়ে গেছে তানিয়া খাতুন। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি হয়েছে (জিডি নং ৯৩০ তারিখ ১৯.০২.১৪) । ইমাদুল ইসলাম তার ১৮ মাসের কন্যা কামরুল নাহারের মায়ের জন্য আহাজারি সহ্য করতে না পরে সব কিছুর বিনিময়ে স্ত্রীর সন্ধ্যানে বাচ্ছাকে নিয়ে এখন পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।
তালায় পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত
তালার পল্লীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছে। গত ২৪ মার্চ বিকালে তালা উপজেলার খেজুরবুনিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দাখিল হয়েছে।
তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জেয়ালা নলতা গ্রামের রহিমবক্স গোলদারের পুত্র হাসান গোলদার জানান, ২০১৩ সালে তার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা ধার নেয় একই গ্রামের সোবান নিকারী। উক্ত টাকা পরিশোধের জন্য তাগিদ দিলে সে বিভিন্ন তালবাহানা করে ও ভয়ভীতি দেখায়। এক পর্যায়ে গত ২৪ মার্চ বিকালে তালা উপজেলার খেজুরবুনিয়া বাজারে সোবান ও তার লোকজন হামলা চালিয়ে হাসান (৩০),তার পিতা রহিমবক্স গোলদার (৬০),মাতা সেলিনা বেগম (৫২) এবং স্ত্রী সেলিনা খাতুনকে (২৫) হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে সকলেই তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় হাসান গোলদার বাদী হয়ে তালা থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছে। তালা থানার ওসি মোঃ মতিয়ার রহমান এজাহার পাবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




