ads

রবিবার , ৬ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গে পড়েছে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ৬, ২০১৪ ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কেশবপুরের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গে পড়েছে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারসহ ৩০ পদের মধ্যে ২২ পদে শূন্য থাকায় জনবলের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গে পড়েছে। ডাক্তার নার্স থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে নেই। যা দু একজন কর্মরত দেখানো হয়েছে তাও প্রেষনে অন্য স্থানে রয়েছে। কেশবপুর ৫০ শয্যা স্বাস্থ্যকমপ্রেক্সে চালু থাকলেও ডাক্তারসহ জনবল না থাকায় শত শত রোগী চিকিত্সা সেবা না পেয়ে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক ও পল­¬ী চিকিৎসকের কাছে ভিড় করছে।

Shamol Bangla Ads

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির ১১ তম সভায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কেশবপুর স্বাস্থ্যকমপ্লে¬ক্সের যে সকল ডাক্তার বা কর্মচারি প্রেষনে অন্য স্থানে কর্মরত রয়েছেন তাদের প্রেষণাদেশ বাতিলসহ শুন্যস্থান পূরনের জন্য বিশেষ ভাবে তাগিদ প্রদান করেন মন্ত্রী নিজে। স্বাস্থ্য কমপেক্স সুত্রে জানা গেছে, জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) এ পদে অদ্যবধি কাউকে পদায়ন করা হয়নি। জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) এ পদটি বদলীজনিত কারণে গত ২০০৯ সালের ৪ নভেম্বর থেকে শূন্য রয়েছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডাক্তার অঞ্জলী রায় ২০০৯ সালের ৮ নভেম্বর যোগদান করলেও তিনি প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সে এবং ৩ দিন কেশবপুর স্বাস্থ্যকমপ্লে¬ক্সে কর্মরত থাকেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) বদলী জনিত কারনে গত ২০০৯ সালের ফেব্র“য়ারী মাস থেকে পদটি শূন্য আছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থো) বদলী জনিত কারনে গত ২০১৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে পদটি শূন্য আছে । জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিও) বদলী জনিত কারণে গত ২০১০ সালের জুন মাস থেকে পদটি শূন্য আছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু) বদলী জনিত কারনে গত ২০০৯ সালের ফেব্র“য়ারী মাস থেকে পদটি শূন্য আছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট (ইএনটি) ডাক্তার এস এম নাজমুল হক ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে যোগদান করলেও তিনি ১০/১২/২০১৩ তারিখ হতে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেষনে কর্মরত আছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট (চর্ম ও যৌন) পদে অদ্যাবধি কোন ডাক্তার পদায়ন করা হয়নি। সহকারি সার্জনের ৬টি পদের ভেতর একমাত্র ডাক্তার উৎপল কুমার সরকার গত ৭/৭/২০১৩ তারিখে যোগদান করলেও তিনি সহকারি সার্জন প্যাথলজিষ্ট পদে যোগদান করেন। তিনি ১২ /০৮/২০১৩ তারিখ হতে সংযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে প্রেষনে আছেন। সহকারি সার্জন (ইউনিয়নপর্যায়) ৮টি পদের মধ্যে ৭টি পদ শূন্য আছে। গত ২০১৩ সালের ৩ ফেব্র“য়ারী ডাক্তার এস এম মোর্ত্তজা আহসান যোগদান করলেও তিনি ২/১/২০১৪ তারিখ থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে সাময়িকভাবে প্রেষনে আছেন। সহকারি ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে ডাক্তার মাহফুজা শারমিন যোগদান করলেও তিনি ২২/১২/২০১৩ তারিখ থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে সাময়িকভাবে প্রেষনে আছেন। মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাবঃ) বদলী জনিত কারণে গত ২০১৩ সালের ফেব্র“য়ারী মাস থেকে পদটি শূন্য আছে। সিনিয়র ষ্টাফ নার্স জেসমিনারা খাতুন ২০০৮ সালের মে মাসে যোগদান করলেও তিনি ০৭/০২/২০১০ তারিখ হতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে আছেন। খুকুরানী দাস ২০০৮ সালের জুলাই মাসে যোগদান করলেও তিনি ০৭/০৬/২০০৯ তারিখ হতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে আছেন। আফরোজা বেগম ১৯৯৯ সালের মে মাসে যোগদান করলেও তিনি ০৩/০৪/২০১২ তারিখ হতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে আছেন।শিপ্রা রানী তরফদার ২০১০ সালের ফেব্র“য়ারী মাসে যোগদান করলেও তিনি ২২/০৬/২০১২ তারিখ হতে বিএসসি নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের নিমিত্তে বগুড়া নার্সিং কলেজে অধ্যায়নরত আছেন। কাঞ্চনবালা তরফদার ১৯৯১ সালের জুলাই মাসে যোগদান করলেও তিনি ২২/০৬/২০১২ তারিখ হতে বিএসসি নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের নিমিত্তে বগুড়া নার্সিং কলেজে অধ্যায়নরত আছেন। সহকারি নার্স সকলে বদলীজনিত কারনে শূন্য আছে। ফার্মাসিষ্টে ২ টি পদ থাকলেও একজন কর্মরত ছিলেন তিনিও গত ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বদলীহওয়ায় সে ত পদটিও শূন্য রয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ফিজিও পদে অধ্যাবধি কাউকে পদায়ন করা হয়নি। মেডিঃ টেকঃ(ল্যাবঃ) ৩ টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। প্রধান সহকারি পদে অধ্যাবধি কাউকে পদায়ন করা হয়নি। পরিসংখ্যানবিদ বদলীজনিত কারনে ২০১০ সালের জুলাই মাস থেকে শূন্য রয়েছে। ক্যাশিয়ার পদটি অবসরজনিত কারনে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে শূন্য রয়েছে। বদলীজনিত কারনে অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদটি শূন্য রয়েছে। অবসর জনিত কারনে স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ৩টি পদের ভেতর ২টি পদ শূন্য রয়েছে। স্বাস্থ্য সহকারির ৩৯টি পদের মধ্যে বদলী ও অবসরজনিত কারনে ১০টি পদ শূন্য আছে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে মোঃ সামছুল ফালাক কার্ডিওগ্রাফার হিসেবে যোগদান করলেও তিনি ২৮/০৭/২০১৩ তারিখ থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে আছেন। চাকুরীতে ইস্তফা দেয়ার কারণে ২০১৩ সালের মে মাস থেকে কম্পিউটার পদটি শূন্য রয়েছে। বদলীজনিত কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ মালী ও ঝাড়ৃদারের পদ ২টি শূন্য রয়েছে । এ ছাড়াও আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগের জন্য টিকিট ক্লার্কের একটি ,এম এলএলএস ১টি ,কুক/মশালচি ১টি এবং সিকিউরিটি ১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূণ্য রয়েছে। সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রী যখন ডাক্তারদের গ্রামে গিয়ে সেবা দেয়ার কথা বলছেন তখন কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্স থেকে ডাক্তার নার্সসহ গুরুত্বপূর্ণ জনবল প্রেষনে পাঠানোর কারণে কেশবপুরের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ভেঙ্গে পড়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!