ads

রবিবার , ৯ মার্চ ২০১৪ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চাঞ্চল্যকর দেবিদ্বার প্রবাসীর স্ত্রী সাহিনা হত্যাকাণ্ড : স্বামী দু’লাখ টাকায় ভাড়া করে খুনীদের

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ৯, ২০১৪ ৭:০০ অপরাহ্ণ
চাঞ্চল্যকর দেবিদ্বার প্রবাসীর স্ত্রী সাহিনা হত্যাকাণ্ড : স্বামী দু’লাখ টাকায় ভাড়া করে খুনীদের

কুমিল্লা প্রতিনিধি : স্বামীর ভাড়াটে খুনিদের হাতে খুন হওয়ার এক মাস পর অবশেষে তিন সন্তানের জননী শাহিনা আক্তারের (৩৫) লাশের সন্ধান মিলেছে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ভেতরে।  শুক্রবার দেবিদ্বার উপজেলায় মৃতদেহের খোঁজ পায় পুলিশ। হত্যার অভিযোগে আটক আব্দুল করিম শনিবার বিকেলে নিজে খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।  দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ছেচড়াপুকুরিয়া গ্রামের আবুধাবী প্রবাসী মোবারক হোসেন (৪০) পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্ত্রী সাহিনা আক্তারকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৭ ফেব্র“য়ারি রাতে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনী দিয়ে হত্যা করে বলে কুমিল­ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক মো. সফিকুল ইসলামের কাছে আসামী  জবানবন্দীতে লোহকর্ষক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়।
ঘটনার রাতে মোবারকের প্রতিবেশি ভাড়াটে খুনি আব্দুল করীম (৩৫) তার অপর দুই সহযোগীকে নিয়ে সাহিনা আক্তারকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। পরে বাড়ির উত্তর পাশের একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃতদেহ পরে বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ১৪ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপের ভেতরে লুকিয়ে রাখে।
এদিকে, সাহিনাকে অপহরণের পর গুম করা হয়েছে এ অভিযোগে গত ২৪ ফেব্র“য়ারি তার ভাই মজিবুর রহমান বাদী হয়ে কুমিল­ার আদালতে মামলা করেন। এতে অভিযুক্ত করা হয় সাহিনার স্বামী মোবারক(৪৫), শাশুড়ি রফেজা বেগম (৫৮), ছেচড়াপুকুরিয়া গ্রামের ফজর আলীর ছেলে জাহিদ মিয়া (৪৫), মফিজ উদ্দিনের ছেলে রুহুল আমীন (৪২),  সোলেমানের ছেলে আব্দুল করিম (৩৫), সহিদ মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া (৩২), আহাম্মদ আলীর ছেলে ইজ্জত আলী (৪৫) এবং মফিজ উদ্দিনের ছেলে খোকনসহ (৩৫) ১০ জনকে।
মামলায় সাহিনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আব্দুল করীমকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ্ কামাল আকন্দ একদল পুলিশ নিয়ে কুমিল­ার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অবস্থান নিয়ে কৌশলে আব্দুল করিমকে আটক করেন।
আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল করিম তার অপর দুই সহযোগীর সহায়তায় কীভাবে গৃহবধূ সাহিনাকে হত্যার পর গুম করে রাখা হয় তার বর্ণনা দেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কুমিল­ার ৪নং আমলি আদালতে হাজির করা হয় আব্দুল করিমকে। এসময় তিনি সাহিনা আক্তার হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
কুমিল­ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক মো. সফিকুল ইসলামের কাছে দেয়া জবানবন্দীতে করিম জানায়, সাহিনার স্বামী তাকে দুই লাখ টাকায় ভাড়া করে। পরে অপর দুই সহযোগীর সহায়তায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। বিচারক ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করার পর জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হত্যার পর ঘাতকরা সাহিনার লাশ পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ৮০ ফুট গভীর পাইপের ভেতরে ফেলে দেয়। গত শুক্রবার থেকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয়রা সাহিনার লাশ উদ্ধারে চেষ্টা করে। শনিবার সকাল থেকে কুমিল­া থেকে নলকূপ মিস্ত্রীরা ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে লাশ উত্তোলনের কাজ শুরু করে। তবে লাশ উদ্ধারে কত সময় লাগতে পারে এ বিষয়ে পুলিশ নিশ্চত করে কিছু বলতে পারেনি।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!