ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : ছাতকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে স্ত্রী দাবী করা জনৈক এক মহিলার প্রতিবাদে বিয়ে পণ্ড হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার দুপুরে পৌর শহরের লাকি কমিউনিটি সেন্টারে। এ ঘটনায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তোলপাড় শুরু হয় শহরজুড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পারিবারিক মতামতের ভিত্তিতে সিলেটের জালালাবাদ উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের তালুকপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র রবিউল ইসলামের সাথে দোয়ারা উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের কন্যা হামিদা আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল ছাতক পৌর শহরের লাকি কমিউনিটি সেন্টারে। অতিথি আপ্যায়নও চলছিল যথারীতি। কাজি সাহেবও বিয়ে পড়ানোর কাজে ছিলেন ব্যস্ত। বর-কনেও সজ্জিত হয়ে বিয়ে সম্পন্নে অপেক্ষার প্রহর গুনছিল। হঠাৎ করে বেরসিক শাবানা আক্তার নামের এক গার্মেন্টস কর্মী বর-কনের মাঝখানে বাঁধা হয়ে দাড়ায়। বিয়ের অনুষ্ঠানজুড়ে শুরু হয় হট্টগোল। অতিথিরা অনেকেই বিয়ের অনুষ্ঠানে না খেয়ে চলে গেছেন। শাবানা আক্তারের দাবী রবিউল ইসলাম তার স্বামী। ২০০৯সালে গার্মেন্টস কর্মী রবিউলের সাথে ইসলামী শরিয়ত মতে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ ৪বছর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঢাকার মাতুয়াইল কোনাপাড়া কাঠেরপুল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এ সুবাদে তার গর্ভে সন্তানও এসেছিল। কিন্তু ৩মাসের মাথায় তা নষ্ট করা হয়েছে। গত বুধবার শাবানাকে কিছু না বলেই সে নিজ বাড়িতে চলে আসে। ২য়বিয়ের বিষয়টি লোক মারফতে খবর পেয়ে শাবানা এখানে আসে স্ত্রীর অধিকার নিয়ে। এদিকে রবিউল ইসলাম প্রথমে শাবানাকে চেনেন না বলে জানালেও পরবর্তীতে তিনি কাজের ভূয়া হিসেবে চেনেন বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কনে পক্ষের লোকজন শহরের মুক্তিরগাঁও আবাসিক এলাকাস্থ ভাড়াটে বাসায় বিয়ে না পড়িয়েই কনেকে নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান ত্যাগ করে। তবে স্থানীয় লোকজন বর রবিউল ও স্ত্রী দাবী করা শাবানাকে নিয়ে বিষয়টি নিস্পত্তির লক্ষ্যে বৈঠক করছিলেন।




