এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারীর জলঢাকা ও সৈয়দপুরে একক প্রার্থী থাকলেও ডিমলা উপজেলায় বিপাকে পড়েছে ১৯ দলীয় জোট। বিএনপি, জামায়াতের পাশাপাশি প্রার্থী দিয়েছে জোটের অপর শরীক বাংলাদেশ ন্যাপও। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির একক প্রার্থী থাকায় খোশ মেজাজে রয়েছেন তারা। তবে সরকারি দলের তরফ থেকে ভোটারদের ভয়ভীতি না দেখানো এবং ভোটদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা না হলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বর্জন করবেন সাধারণ মানুষ এমন আশা করছেন বিরোধী জোটের প্রার্থীরা অন্যদিকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী সমর্থিতদের নির্বাচিত করবেন ভোটাররা এমন ভরসা সরকার দলীয় প্রার্থীদের। প্রথম ধাপে আগামি ১৯ ফেব্রুয়ারি তিন উপজেলা ডিমলা, জলঢাকা ও সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জলঢাকা ও সৈয়দপুর উপজেলায় বড় দুই দলের প্রার্থীদের সাথে প্রতিদ্ব›িদ্বতা হলেও ডিমলা উপজেলার চিত্র আলাদা। এখানে আওয়ামী লীগের চেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। মুলত: উপজেলাটিতে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির আধিক্য থাকায় পিছিয়ে রয়েছে বিএনপি তার সাথে যোগ হয়েছে জামায়াত ও ন্যাপের প্রার্থী। রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম রফিকুন্নবী জানান, যে সব উপজেলায় নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হয়েছে সেসব উপজেলা সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।

সৈয়দপুরে বাংলার পাশাপাশি উর্দুতে চলছে প্রচারণা
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। আগামি ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ উপজেলা পরিষদের প্রতিদ্ব›িদ্বন্দি প্রার্থীর গুণকীর্তন আর প্রতীক নিয়ে দিনেরাতে চলছে জমজমাট প্রচারণা। তাই এখানে বাংলার পাশাপাশি উর্দুতে চলছে প্রচারণা। বিশেষ করে শহর এলাকায় দোভাষী মাইকে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সৈয়দপুরে সর্বমোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৩৬ ভোটারের মধ্যে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৮৬ হাজার ৫৯১ জন এবং সৈয়দপুর পৌর এলাকায় মোট ভোটার ৮০ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে শহরের অধিকাংশ ভোটার রয়েছে অবাঙালি (উর্দু ভাষী)। তাদের কাছে টানার জন্য মাইকে বাংলার পাশাপাশি উর্দুতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উপজেলা নির্বাচনে ২ জন চেয়ারম্যান, ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের বাঙালি প্রার্থীরা একাজটি করছেন। কোন প্রার্থী বাংলা, হিন্দি ও উর্দু ভোটের প্যারোডি গান নিয়ে ভোটারদের কাছে হাজির হচ্ছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা এরকম করছেন কেউবা বুঝে, কেউবা না বুঝে। তাদের ভোটও প্রার্থণা করতে হচ্ছে উর্দুতে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকরা সহযোগিতা করছেন।





