শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে শ্রীলংকা। এতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৬৬ রানের লিড নিয়েছে সফরকারীরা। জবাবে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১২ রান। ফলে এই ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরাতে চাইলে শনিবার ম্যাচের পঞ্চম শেষ দিনে আরও ৪৫৫ রান করতে হবে টাইগারদের। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে এত রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আজ অবধি নেই! সেই হিসেবে জেতার পেছনে না ছুটে বরং ড্র করার চিন্তা করাই শ্রেয় হবে স্বাগতিকদের।

বাংলাদেশের পক্ষে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ৭ ও শামসুর রহমান ৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন। শেষ দিনে শনিবার আবারও ব্যাট করতে নামবেন তারা। এর আগে চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৬ রান করেন প্রথম ইনিংসে ত্রি-শতক করা কুমার সাঙ্গাকারা। এছাড়া দিনেশ চান্দিমালও তুলে নেন শতক। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। বাংলাদেশের পক্ষে মাহমুদুল্লাহ ২টি এবং সাকিব আল হাসান ও সোহাগ গাজী একটি করে উইকেট নেন।
প্রথম ইনিংসে ১৬১ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৬ রান তোলার পর লংকান ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন বাংলাদেশি ডানহাতি স্পিনার মাহমুদুলাহ। স্লিপে নাসির হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে শ্রীলংকার উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দিমুথ করুণারতেœকে সাজঘরে ফেরত পাঠান তিনি। করুণারতেœ করেন ১৫ রান। এরপর ১৭তম ওভারের শেষ বলে আবারও আঘাত হানেন মাহমুদুল্লাহ, তুলে নেন শ্রীলংকার আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কৌশল সিলভাকেও। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরার আগে সিলভা করেন ২৯ রান। দলীয় ৭৮ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে মাহেলা জয়াবর্ধনেকে সাজঘরে ফেরান প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান। জয়াবর্ধনে করেন ১১ রান। এরপর দলীয় ২২৩ রানে সাঙ্গাকারাকে ফেরান সোহাগ গাজী। শতক তুলে নেওয়ার পরপরই সোহাগ গাজীর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান ১১টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ১০৫ রান করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলঙ্কা : ৫৮৭ (সাঙ্গাকারা ৩১৯*, জয়াবর্ধনে ৭২, মেন্ডিস ৪৭; সাকিব ৫/১৪৮) ও ৩০৫/৪ ডিক্লে. (করুনারতেœ ১৫, সিলভা ২৯, সাঙ্গাকারা ১০৫, জয়াবর্ধনে ১১, চান্দিমাল ১০০*, ম্যাথিউস ৪৩*; মাহমুদুল্লাহ ২/৪৬, সাকিব ১/৮০, সোহাগ ১/৮৭)
বাংলাদেশ : ৪২৬ (তামিম ০, শামসুর ১০৬, ইমরুল ১১৫, মুমিনুল ১৩, সাকিব ৫০, মুশফিক ২০, নাসির ৪২, মাহমুদুলাহ ৩০, সোহাগ ০, আল-আমিন ৯, রাজ্জাক ১১*; মেন্ডিস ৬/৯৯, পেরেরা ৩/১১৯, লাকমল ১/৭০) ও ১২/০ (তামিম ৭*, শামসুর ৪*;)




