এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরববরাহের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যায়ে ১০এমভিএ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রর শুভ উদ্বোধন ০৬ ফেব্রæয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বীরনলহরা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণ হলো উপজেলার প্রায় ৩ লক্ষ মানুষের।

উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে আলমনগর ইউনিয়নের বীরনলহরা গ্রামে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র প্রাঙ্গনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি খন্দকার আসাদুজ্জামান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রর শুভ উদ্বোধন করেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ও এফ.বি.সি.সি আইয়ের পরিচালক খন্দকার মশিউজ্জামান রুমেল, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিনা ইসলাম, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএম আব্দুর রশিদ মৃধা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, হাসনা হেনা, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, গোপালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিঞা, গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল্ল্যাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ হালিমুজ্জামান তালুকদার, মোঃ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, সাবেক সম্পাদক রকিবুল হক ছানা, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন, নগদা শিমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা এম হোসেন আলী, আলমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক চৌধুরী, ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল ইসলাম, উপজেলা বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, গোপালপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলাম রফিক, সম্পাদক মোঃ আব্দুল লতিফ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মরিয়র আক্তার মুক্তা, আলমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইদ্রিস আলী, সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ৩৩/১১ কেভি ১০এমভিএ উপকেন্দ্র নিমার্ণ বাবদ ৬ কোটি ৫লক্ষ ৪০হাজার এবং ধনবাড়ী উপজেলার হাজরা বাড়ি হতে আলমনগর ইউনিয়নের নলহরা পর্যন্ত ১৭ কি. মি. দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইন নিমার্ণ বাবদ ২ কোটি ৫৫লক্ষ টাকাসহ মোট ৮ কোটি ৬০লক্ষ ৪০হাজার টাকা ব্যায় হয়।
বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রটি স্থাপন হওয়ায় গোপালপুর উপজেলা ও ঘাটাইল এবং ভূঞাপুর উপজেলার (আংশিক এলাকার) ২২৪টি গ্রামের মোট ২৮হাজার ৬৩৮জন আবাসিক গ্রাহক, দুই হাজার ২০ জন বাণিজ্যিক গ্রাহক, চার হাজার ১৩০ জন সেচ, ৪৭৩ জন জিপি, ২৮৫টি দাতব্য, ১৫টি রাস্তার বাতি ও অন্যান্য ৫৫৮জনসহ মোট ৩৫হাজার ৮৩৪জন গ্রাহক এক হাজার ৯৮.৮৭৭ কি.মি বিদ্যুতায়িত লাইনের মাধ্যমে এর সুফল ভোগ করবেন।
স্থানীয়দের ফসলি জমি দান ও বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করার লক্ষ্যে বক্তারা পৌরশহরের সূতী বলাটা ও আলমনগর ইউনিয়নের চরনলহরা ও বীরনলহরা গ্রাম অবিলম্বে বিদ্যুতায়িত করার ঘোষনা দেন।




