চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় আটক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মোমিনের মুক্তি ও থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল কবির চৌধুরীর অপসারণের দাবীতে মঙ্গলবার সারাদিন চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে ছাত্রলীগের নামে। সোমবার বেলা ৫টায় জেলা ছাত্রলীগের উদ্ধৃতি দিয়ে শহরে মাইকিং করে এ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। তবে, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফ হোসেন দুদু।

চুয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল কবির চৌধুরী বলেন, গত ৬ জানুয়ারি সোমবার রাতে শহরের শান্তিপাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে সুমনকে কয়েক জন দুবৃর্ত্ত কোর্ট এলাকা থেকে অপহরণ করে চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে তারা সুমনকে নির্যাতন করে তার পায়ের রগ কেটে দেয়। মৃত ভেবে তারা সুমনকে সেখানে ফেলে চলে যায়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগীতায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা থানায় গত ৮ জানুয়ারি একটি মামলা হয়, যার নং-২ তারিখ ০৮-০১-১৪। এ মামলার অভিযুক্ত চুয়াডাঙ্গার বড়বাজার পাড়ার মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র আব্দুল মোমিনকে শহরের শিশুস্বর্গ পার্ক থেকে সোমবার দুপুরে আটক করা হয়। আটকের পর থেকে ছাত্রনেতা পরিচয়ে কয়েকজন ফোন করে আটক আব্দুল মোমিনকে ছেড়ে দিতে বলে।
তাদের অনৈতিক দাবী না মানায় কিছু ছাত্র নামধারী ক্যাডার আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা আমার অপসারণের দাবীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট ডেকেছে। তিনি আরো বলেন, এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে আমি ছেড়ে দিতে পারিনা।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফ হোসেন দুদু বলেন, ছাত্রলীগ যে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার অধীনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ধর্মঘট ডেকেছে তা আমার জানা নেই। তাছাড়া যে ছেলেকে নিয়ে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে, সে ছাত্রলীগ করেনা।




