সিলেট ও বগুড়া জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। ৭ আগস্ট শুক্রবার সকালে সিলেটের ওসমানীনগরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন এবং বগুড়ার শাজাহানপুরে নিয়ন্ত্রণ হারানো বাস শ্রমবাজারে উঠে গেলে সাতজন নিহত হয়। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক যাত্রী ও শ্রমিক।

সিলেট : সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২৫ জন। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে সিলেটগামী বেঙ্গল বাস এবং সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক বাসের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের পর ইউনিক বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায় এবং বেঙ্গল বাসটি সড়কেই অবস্থান করে।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বগুড়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শ্রমবাজারে ঢুকে পড়লে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ থেকে ২০ জন। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি এসি বাস ওই এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। বাসটি প্রথমে সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। পরে উল্টে গিয়ে কাজের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়ায়।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। তবে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।




