ads

বৃহস্পতিবার , ৪ জুন ২০২৬ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শিক্ষকদের অবসর ভাতা দিতে ২ হাজার কোটি টাকার বন্ড বরাদ্দ হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ৪, ২০২৬ ৮:৪৮ অপরাহ্ণ

শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২ হাজার কোটি টাকার বন্ড থোক বরাদ্দ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আংশিকভাবে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বিতরণ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

Shamol Bangla Ads

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আংশিক হলেও আগামী এক মাসের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বিতরণ শুরু হবে বলে আশা করছি।’ শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২ হাজার কোটি টাকার বন্ড থোক বরাদ্দ পেয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়া অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বাবদ টাকা দেওয়ার প্রচলন করেন। তবে ২০২২ সালের পর থেকে অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের এ টাকা দেওয়া বন্ধ আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Shamol Bangla Ads

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে বিগত সময়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী। আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সেই জায়গায় আমরা এ বছর আমরা ২ শতাংশ পর্যন্ত পেয়েছি।’ তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যতে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দ বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন। এ বরাদ্দের পুরোটা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দ একসঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছিল উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আর সে ধরনের পরিস্থিতি থাকবে না। তিনি বলেন, এবার শুভঙ্করের ফাঁকি নেই। গতবার শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল। আইসিটি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বরাদ্দ দেখানো হয়েছিল।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিশুদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলতে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তা পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

‎শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস প্রদানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এ বছরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে এ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!