হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সংঘর্ষে ৭ পুলিশ আহতের জের ধরে গ্রেফতার আতংকে ৩ গ্রাম পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে। আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের বিরোদ্ধে অর্ধশতাধিক রান্না করার মাটির চুলা ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে। এতে গৃহিনীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, গত ১১ জানুয়ারী উপজেলার টান সিদলা গ্রামের কামালের বাড়ি হইতে সিদ্দিক মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত ফসলি জমির উপড় দিয়ে একটি নতুন রাস্তা নির্মানকে কেন্দ্র করে ইউপি মেম্বার আবুল হোসেন গ্রæপ ও জমির মালিক আবুল কাশেম গংদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ি সংঘর্ঘের সৃষ্টি হয়। পুলিশ বাধা দিলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের সাথে মারমূখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে।এ সময় ত্রিমূখী সংঘর্ষে ৭ পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়।এ ঘটনায় হোসেনপুর থানার এসআই ফিরোজ আহাম্মেদ বাদি হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করে। ফলে গ্রেফতার আতংকে সিদলা ইউনিয়নের হাওলাপাড়া,হারেঞ্জা ও টান সিদলার আমজাইনসহ তিন গ্রাম পুরুষ শুন্য হয়ে পড়ে।এরই ধারাবাহিকতায় আসামি ধরতে গিয়ে না পেয়ে পুলিশ টান সিদলার করিমের বাড়ির ৪টি চুলা,মজনু মিয়ার ৩টি,ভিক্ষুক চান্দি বানুর ২টি,কদ্দুছ মিয়ার বাড়ির ৫টি,জুবেদ আলীর বাড়ির ৩টি,হালুয়াপাড়ার জমির উদ্দিনের বাড়ির ৪টি রান্না মাটির চুলা সহ প্রায় অর্ধশতাধিক চুলা ভাংচুর করেছে বলে এলাকাবাসী দাবি করেন।
সরেজমিনে গতকাল শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরির্দশন কালে টান সিদলা গ্রামের পিটা বিক্রেতা বৃদ্ধা নূরজাহান জানান,পুলিশ তার ৩টি চুলা ভেঙ্গে ফেলায় গত কয়েক দিন ধরে পিটা বিক্রি করতে পারছেন না।ফলে অর্থাভাবে অন্যের কাছ থেকে ঋন নিয়ে চলতে হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানান।
এ ব্যাপারে ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, আসামিদের গ্রেফতারে নিয়ম মাফিক পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




