শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নাতনিকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন নানি আমেনা খাতুন। আমেনা খাতুন উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের সমশ্চুড়া গ্রামের মৃত সমর আলীর মেয়ে ও সমশ্চুড়া গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, আমেনা খাতুন শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু তার বড় মেয়ের ঘরের মানসিক ভারসাম্যহীন নাতনি সুরাইয়া আক্তার (৮)কে নিয়ে রয়েছেন চরম বিপাকে। সুরাইয়ার পিতা সুজন মিয়াও মাতা হাসিনা ঢাকায় থাকেন। সুজন মিয়া ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করেন। সেও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। সুজন মিয়া শারীরিক সমস্যার কারণে নিয়মিত কাজে যেতে পারেন না। মাঝে মাঝে কাজ করে যা আয় হয় তা দিয়ে তাদেরই দিন চলা কঠিন। এদিকে মানসিক ভারসাম্যহীন নাতনিকে নিয়ে আমেনা খাতুন রয়েছে চরম বিপাকে। সুরাইয়া আক্তার সার্বক্ষণিক ছোটাছুটি করে। তাকে রেখে কাজেও যেতে পারেন না আমেনা খাতুন। পায়ে দড়ি বেঁধে রাখতে হয় তাকে। তবুও দড়ি বাধা অবস্থায় সুরাইয়া সার্বক্ষণিক ছোটাছুটি করে। ফলে আমেনা খাতুন নাতনিকে নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে। অন্যের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে বাঁচতে হচ্ছে আমেনা খাতুনকে। টাকার অভাবে নাতনি সুরাইয়ার চিকিৎসাও করাতে পারছেন না।
চিকিৎসকরা বলেছেন, চিকিৎসা করা হলে সুরাইয়া সুস্থ্য হয়ে উঠবে। কিন্তু আর্থিক সংকটে চিকিৎসা করতে পারছেন না তার নানি। সুরাইয়ার চিকিৎসার জন্য তার নানী আমেনা খাতুন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও দেশের বিত্তবান ব্যক্তি সামাজিক সংগঠনের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন করেছেন। আমেনা খাতুনের সাথে যোগাযোগের জন্য মোবাইল (০১৮২০৫১৮৬৬০)।




