শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমিনের হস্তক্ষেপে ৩০ একর জমির জলাবদ্ধতার অবসানে কৃষকদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। ১ মে শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের নাচনমুহুরি এলাকায় ওই অভিযান পরিচালনা করেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নাচনমুহুরি এলাকার উপর দিয়ে পানি প্রবাহের একটি খালে মো. নহল মিয়া নামে জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পূর্বে বাধ নির্মাণ করে ওই খালের পানি বন্ধ করে দিয়ে সেখান থেকে মাছ ধরতেন। এতে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে আশপাশের কৃষকদের প্রায় ৩০ একর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হত। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বিভিন্ন সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন কাজ হয়নি।
অবশেষে এলাকার কৃষকরা জলাবদ্ধতায় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ বাধটি অপসারণ করে খাল দিয়ে পানি প্রবাহের পথ সুগম করে দেন। এতে দীর্ঘ প্রায় একযুগ পর এলাকার কৃষকরা জলাবদ্ধতা ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিনের তড়িৎ হস্তক্ষেপে জলাবদ্ধতা নিরসন হওয়ায় কৃষকদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তির নিঃশ্বাস।




