নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদী পুলিশ এক জটিকা অভিযান চালিয়ে ১১ ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় নরসিংদী পুলিশ সুপার খন্দকার মহিদ উদ্দিন তার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস বিফ্রিং-এর মাধ্যমে এতথ্য জানান ।
ধৃত ডাকাতরা হলো- শিবপুরের বাঘাব গ্রামের মরহুম মোক্তার হোসেনের ছেলে জাহিদ মেহেদী অনিক (২৩) মৃত শহিদুল্লাহর ছেলে রানা মিয়া (২২) মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে জাহিদ হাসান (১৯) ছামেদ আলীর ছেলে কবির সরকার (২২) চালিতাকান্দী গ্রামের হিরন মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া (২২) রাহেরদিয়া গ্রামের বাকের পাঠানের ছেলে রায়হান পাঠন (২৩), পাঁচপাইকা গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে মামুন (২৮) আড়ালীয়া গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে এমরান (২৫) বৈলাব গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে মহসীন মেম্বার (৪৯)এবং মাইক্রো চালক নরসিংদী সদর উপজেলার ব্রাহ্মনপাড়া মহল্লার খোকন মিয়ার ছেলে ড্রাইভার রাসেল (২০)।
প্রেস বিফ্রিং-এ জানা যায় উল্লেখিত আসামীরা গত ৭ জানুয়ারী দিবাগত গভীর রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কার্যালয়ে অর্তর্কিতভাবে হামলা চালায়। ডাকাতদল কতর্বরত আনসার সদস্য বিপ্লব হোসেনের কাছ থেকে একটি থ্রী নট থ্রী রাইফেল, ১০ রাউন্ড গুলি, আবাসিক এলাকায় বসবাসরত ইঞ্জিনিয়ার তোফাজ্জল হোসেন সজল , সামসুল হক মোল্লা ও ইঞ্জিনিয়ার তোফায়েলের বাসা থেকে নগদ অথর্, স্বণালংকার, মোবাইল সেট, ডিজিটাল ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল লুটে নেয়।
এঘটনার পর পুলিশ নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা এবং গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক সাড়াশি অভিযান চালায়। মোবাইল কল লিস্টের সূত্র ধরে পুলিশ উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতার করে। পুলিশ ধৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক রাইফেলের ভাট, বিভিন্ন মালামালসহ ৬ হাজার ৭শত টাকা উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান, ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উক্ত প্রেস ব্রিফিংএ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




