শেরপুর ঝিনাইগাতীতে স্বামীর মৃত্যুর ২৫ বছরেও বিধবা নারী আঙ্গুরি বেগমের ভাগ্যে জুটেনি বিধবা ভাতার কার্ড। আঙ্গুরি বেগম ( ৬৬) উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মৃত্যু আব্দুল মজিদের মেয়ে।

জানা গেছে, আঙ্গুরি বেগমের সন্তানাদি থাকলেও না থাকার মতো। সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই। গোমড়া গুচ্ছ গ্রামের একটি ঘরে তার বসবাস। দিনমজুরি করে চলে তার সংসার। কিন্তুু বয়সের ভারে তিনি নুইয়ে পরেছেন। কথা বলতে শরীর কাপে। একটিন কাজে গেলে ৩দিন কাজে জেতে পারেন না। এ সময় থাকতে তাকে অনাহারে অর্ধাহারে।
আঙ্গুরি বেগম জানান, সরকারিভাবে তার ভাগ্যে জুটে না কোন সাহায্য সহযোগিতা। একটি বিধবা ভাতার কার্ড পেতে ২৫ বছরে বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। অবশেষে ২০২৫ সালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেলের কাছে বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য আবেদন করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন তাকে পরবর্তীতে একটি বিধবা ভাতার কার্ড দেবেন। কিন্তু এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বদলি হন।

পরবর্তীতে তার স্থলাভিষিক্ত হন মো. আল আমিন। তিনি ওই নারীর আবেদনের কপিতে সুপারিশ করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে পাঠান। কিন্তু উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সানজা ইসলাম সানী আবেদনটি ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে তার কিছুই করার নেই।




