ভোটে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ভোটগ্রহণের জন্য ব্যালট পেপারসহ সব ধরনের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্ধারিত কেন্দ্রে ব্রিফিং শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। দুপুর ১২টা থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সরঞ্জাম গ্রহণ শুরু করেন।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুরো জেলায় ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।




