শেরপুরের শ্রীবরদীতে একটি ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া নারীর অর্ধগলিত মরদেহের পরিচয় মিলেছে। একই সাথে মরদেহসহ ট্রাঙ্ক বহনকারী পিকআপ ভ্যান এবং চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে জামালপুর পিবিআই এর সদস্যরা। নিহত ওই নারীর নাম ডলি আক্তার (২৫)। তিনি নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার মোঃ আলাল মিয়ার কন্যা ও মো. বিল্লালের স্ত্রী। নিহত ডলি ও তার স্বামী বিল্লাল গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পিবিআই জামালপুর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল সকালে শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার নয়াপাড়া ঢালিবাড়ী তিন রাস্তার মোড় পাকা রাস্তার উপর একটি ট্রাঙ্ক দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা শ্রীবরদী থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ট্রাঙ্ক খুলে তোশকে মোড়ানো হাত-পা বাধা একজন অজ্ঞাতনামা মহিলার অর্ধগলিত লাশ দেখতে পায়।
পরবর্তীতে শ্রীবরদী থানা পুলিশ লাশের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য পিবিআই জামালপুর জেলার সাথে যোগাযোগ করলে পিবিআই জামালপুর জেলার একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করে।

পরে গতকাল ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভিকটিমের ভাই মো. শফিকুল ইসলাম শফিক মিয়া বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে এ ঘটনায় পিবিআই জামালপুর এর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সামিউল ইসলাম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকালে ট্রাঙ্ক বহনকারী ওই পিকআপ ভ্যান (গাড়ির নম্বর-ঢাকা মেট্রো- ন-১২-২৮০৮) শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া গ্রাম থেকে জব্দ করে। একই সাথে ওই পিকআপ ভ্যানের চালক মো. আশরাফ আলী (৩২) কে আটক করে।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই এর এস আই সামিউল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং মূল ঘটনা উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




