ads

বুধবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

গণমাধ্যমের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : তথ্যমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের জন্য একটি ভয়মুক্ত ও স্বাধীন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Shamol Bangla Ads

তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, বিগত বছরগুলোর রাজনৈতিক আন্দোলন ও দীর্ঘ সংগ্রামের পথে গণমাধ্যমের সাহসী ভূমিকা রাজপথের কর্মীদের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে নতুন সরকার তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।

জহির উদ্দিন স্বপন তার বক্তব্যে দেশের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকল সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক ও উদ্যোক্তাদের প্রতি নতুন সরকারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলো একেকটি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।

Shamol Bangla Ads

সরকার যেভাবে অন্যান্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছে, গণমাধ্যমকেও ঠিক একইভাবে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা জানানো হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তথ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সাংবাদিকদের সবসময় নজরদারির মধ্যে রেখে স্বাধীন সাংবাদিকতা সম্ভব নয়, তাই এই ধরণের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে একটি উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজবের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে এটি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী একটি বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রযুক্তির এই ক্ষমতার যেমন ইতিবাচক দিক রয়েছে, তেমনি এটি নেতিবাচক চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।

সরকার এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই গুজব প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, গণমাধ্যমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্ভেজাল ও সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সেই নীতির আলোকেই সরকার সকল সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

নিজে একজন নির্যাতিত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জেল-জুলুম ও ভয়ভীতির মানসিক চাপ সম্পর্কে তিনি সম্যক অবগত আছেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের মতো সম্মানিত পেশায় যারা কাজ করেন, তাদের যদি সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়, তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কাম্য নয়।’ প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও সংস্কার পরিকল্পনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ বিকেল ৩টায় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করবেন। আজকের এই সাক্ষাৎ মূলত একটি সৌজন্য বিনিময় ছিল এবং আগামীতে তিনি গণমাধ্যমের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন। সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন কোনো নীতিমালা অথবা আজ বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে গণমাধ্যম সংক্রান্ত কোনো এজেন্ডা আছে কি না তা খুঁজে দেব?

Need Ads
error: কপি হবে না!