শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে পাঁচজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার বিকেলে উপজেলার সীমান্তবর্তী তাওয়াকুচা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রাণী ভৌমিক।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), জমশেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৪) ও গুতু শেখের ছেলে মোনা সরকার (২৯) এবং শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুড়ি এলাকার জাফর আলীর ছেলে হানিফ উদ্দিন (৪৫) ও খাড়ামোড়া এলাকার হাজী কলিম উদ্দিনের ছেলে কোমর আলী (৫০)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, শেরপুরের ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বালু মহাল ইজারা বন্ধ রেখেছে প্রশাসন। তবুও একটি চক্র চোরাইভাবে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে নদী ও পাহাড় থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছে।
রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতীর উপজেলার তাওয়াকুচা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রানী ভৌমিক। ওইসময় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ এর ১৫ (১) ধারা মোতাবেক অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে ৫ জনের প্রত্যেককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমীন জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন রোধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঝিনাইগাতীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা পরোয়ানামূলে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




