ads

শনিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ভাঙা বাঁধ দ্রুত মেরামত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

জুবাইদুল ইসলাম
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫ ৯:৩৯ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে মহারশি নদীর ভাঙা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। তিনি ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে উপজেলার পূর্ব খৈলকুড়া এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত-গৃহহীনদের দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ও কৃষকরা জেলা প্রশাসকের কাছে মহারশি নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি তুলে ধরেন।

Shamol Bangla Ads

জেলা প্রশাসক বলেন, ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে প্রায় প্রতিবছরই মহারশি নদীর বাঁধ ভেঙে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ ও কৃষকরা। এবার ১১টি পরিবারের ঘর ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এটি ঠেকাতে নদীর দুই পাড়েই দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন। সে বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখব এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। এ ধরনের ঢলে ভাঙন ও মানুষের দুর্দশা আমরা আর চাই না। তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। এছাড়া ঢলের পানিতে আমন আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় এনে বিনামূল্যে বীজ-সারসহ যা যা প্রয়োজন দেওয়া হবে। এছাড়া বাঁধের ভাঙা অংশটুকু দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামতের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি।

পরে পার্শ্ববর্তী রেজিয়া হোসেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া গৃহহীন পরিবারগুলোর মাঝে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে চাল, ডালসহ শুকনো খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ওইসময় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেলসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে মহারশি নদীর বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নদীপাড়ের মানুষ ও কৃষকরা। তিন দিনের ব্যবধানে পানি নামার সাথে সাথে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। প্রথমদিকে প্রায় জেলায় প্রায় দেড় হাজার হেক্টর রোপা আমন ধান ও ৮৬ হেক্টর সবজির আবাদ পানিতে নিমজ্জিত হয়। বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় বর্তমানে আমন আবাদ ৬৬৩ হেক্টর ও সবজির আবাদ ১৪ হেক্টর পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!