ads

রবিবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মার্কিন পেটেন্ট পেল বাংলাদেশি করোনা টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের তৈরি করোনা প্রতিরোধী এমআরএনএ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’ মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে এটি প্রথমবারের মতো কোনো টিকা যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট পেল। ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

Shamol Bangla Ads

গ্লোব বায়োটেক জানায়, করোনাভাইরাসের প্রকোপের সময় তাদের বিজ্ঞানী ড. কাকন নাগ ও ড. নাজনীন সুলতানা নেতৃত্বে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট, টিকা ও ওষুধ তৈরির গবেষণা শুরু হয়। এর ফলে উদ্ভাবিত এমআরএনএ টিকা বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) থেকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন পায়।

২০২০ সালে টিকার জেনেটিক কোডিং সিকোয়েন্স যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেজে প্রকাশিত হয়। পরে গবেষণাপত্র যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল জার্নাল এলসেভিয়ারের ভ্যাকসিন ও যুক্তরাজ্যের নেচার সময়ীকিতে প্রকাশিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালে এই টিকাকে কোভিড ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

Shamol Bangla Ads

গ্লোব বায়োটেক জানিয়েছে, বানরের ওপর ট্রায়ালে বঙ্গভ্যাক্স সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটি এক ডোজে বিভিন্ন করোনা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও কার্যকর। টিকায় ব্যবহৃত ন্যানোটেকনোলজি ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে এমআরএনএসহ অন্যান্য প্রযুক্তির টিকা ও ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও জটিল রোগের আধুনিক ওষুধ তৈরি করা সম্ভব।

গবেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট শুধু টিকার নয়, বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও নির্দেশ করে। চূড়ান্ত পরীক্ষার পর এটি জনগণের ব্যবহারে আসবে।

পেটেন্ট অর্জনের মাধ্যমে দেশি প্রযুক্তি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলো। এতে বাংলাদেশের টিকা স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হবে, কম খরচে টিকা উৎপাদন সম্ভব হবে এবং বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্ভাবন ২০২৬ সালে এলডিসি উত্তরণ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!