বদহজম বা হজমের সমস্যা নতুন কোনো রোগ নয়, এটি মানুষের প্রায়ই হয়ে থাকে। বিশেষ করে কোনো খাবারে ত্রুটি থাকলে অথবা আবহাওয়াজনিত কারণেও এ রোগ বেশি হয়ে থাকে।

পেট ফুলে থাকা এক বিরক্তিকর বিষয়। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়মিত অভ্যাস এবং ভাজা পোড়া তেলমশলা বেশি খাওয়ার জন্য অনেকেই অ্যাসিড এবং গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। যার জেরে হয় পেট ফাঁপার সমস্যা বা বদহজম। অনেকের ক্ষেত্রে এটি দিনের পর দিন থেকে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে খাওয়াদাওয়ায়। যেহেতু সকালের খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেই খাবারটি বুঝেশুনে খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বদহজমের সমস্যা দেখা দিলে এই ৫ খাবার খাওয়া যেতে পারে। যেমন-
১. দই

হজমের সমস্যা হলেও নিশ্চিন্তে খাওয়া যেতে পারে দই। অনেক ক্ষেত্রে এটি পেটের ওষুধ হিসেবেই কাজ করবে। কারণ দই প্রোবায়োটিক হওয়ায় পেটের ভালো ব্যাক্টেরিয়াকে সুস্থ রেখে, হজমে সাহায্য করবে।
২. কলা
কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে পানি ধরে রাখার প্রবণতা কমায়। এতে পেটফাঁপার সমস্যায় উপকার হবে।
৩. আদা
বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা এবং বদহজম দূর করার জন্য আদা বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি হজম এনজাইম উদ্দীপক, গ্যাস্ট্রিক গতিশীলতা উদ্দীপক এবং অন্ত্রের নালীকেও প্রশমিত করে। খাবারের পরে আদা চা পান করলে পেট ভরা ভাব কমে এবং ধীর হজমের কারণে পেট ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
৪. পেঁপে
পেঁপেতে পেপেইন থাকে, এটি একটি প্রোটিওলাইটিক এনজাইম যা প্রোটিন হজমে সহায়তা করে এবং হজমের ব্যাধি কমায়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার পরে পেঁপে খেলে পেট ফাঁপা এবং বদহজম এড়ানো সম্ভব হয়। এর ফাইবার এবং পানি অন্ত্রের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।
৫. হলুদ
হলুদের সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। অন্ত্রের প্রদাহ প্রশমিত করতে কারকিউমিন ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনের রোগে। হলুদ পিত্ত নিঃসরণকেও উদ্দীপিত করে, যা চর্বি কমায় এবং পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।




