তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লায় : অপহরণের ৫ দিন অপহৃত জারিনের (৬) মৃতদেহ কুমিল্লা নগরীর হাউজিং নুরপুর এলাকার তাদের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অপহরনকারী রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ। অপহরণকারি রুবেলের তথ্যমতে, ৯ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ভোরে জারিনের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে পুলিশ জারিনের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জারিন (৬) কুমিলা নগরীর হাউজিং নুরপুর এলাকার প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। আটক হওয়া অপহরণকারি রুবেল (১৬) নগরীর নুরপুর একই এলাকার বাসিন্দা। ৪ জানুয়ারী জারিনকে অপহরণ করা হয়। বুধবার রাত ১২ টায় অপহরনকারি রুবেলকে কুমিলার চান্দিনা উপজেলা থেকে কোতয়ালী থানা পুলিশ আটক করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ৪ জানুয়ারী বিকেলে জারিনকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। ওই রাতে অপহরণকারিরা জারিনের পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। পরদিন ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের দিন নিখোঁজ ভাগ্নিকে খুজেঁ বাড়িতে ফেরার পথে নগরীর হাউজিং নুরপুর এলাকায় দুবৃর্ত্তরা জারিনের মামা এসএসসি পরীক্ষার্থী দিদারুল আলম ইমতিয়াজকে (১৫) পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে ঢাকায় মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেয়ার পথে মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়। নিহত দিদারুল আলম ইমতিয়াজ নগরীর হাউজিং নুরপুর এলাকার কাজী বাড়ির জহিরুল আলমের ছেলে। সে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। জারিনকে অপহরণ ও তার মামাকে হত্যার ঘটনায় কোতয়ালী থানায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে কোতয়ালী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সামসুজ্জামান জানান, গতকাল রাত ১২ টায় আমরা অপহরণকারি রুবেলকে চান্দিনা উপজেলা থেকে আটক করি। তারই তথ্যমতে, আমরা ভোরে জারিনের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। ৪ জানুয়ারী বিকেলে জারিনকে অপহরণ করার পর রাতেই তাকে গলায় দড়ি পেচিঁয়ে হত্যা করে বস্তায় ঢুকিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, অপহরণকারি রুবেল জারিনের মামা নিহত ইমতিয়াজের বন্ধু ছিলেন। অপহরণকারি রুবেল জারিনের বাড়ির পাশেই থাকত।




