শেরপুরের শ্রীবরদীতে সাড়ে ৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আজিজুল হক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের কারারপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

তবে পরেরদিন শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনা জানাজানি হবার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে ৯৯৯ এ ফোন দেয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় লিখিত অভিযোগ করে। অভিযুক্ত আজিজুল কারারপাড়া এলাকার মৃত সিরাজুল হকের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবা বাকপ্রতিবন্ধী দিনমজুর এবং তার মা অন্যের বাড়ীতে আয়ার কাজ করে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশুটি বাড়িতে অবস্থান করছিলো। এসময় তার বাবা-মা বাড়িতে ছিলো না। এসময় অভিযুক্ত আজিজুল হক বাড়িতে এসে শিশুটির কাছে খাবার পানি চায়। সে পানি এনে দিলে পানি খাওয়ার পর আজিজুল শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওইসময় শিশুটি চিৎকার চেঁচামেচি করলে তাকে রান্নাঘরে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিশুটির মা বাড়িতে গিয়ে রান্না ঘরের মাটিতে শিশুটিকে কান্নাকাটি করতে দখতে পায়। পরে শেরপুরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কামরুন্নাহার নার্গিসের কাছে চিকিৎসা করায়। পরবর্তীতে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে তাকে আটক করে পুলিশে ফোন দিলে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ শুক্রবার রাতে জানান, শিশুটির মায়ের অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও ৯৯৯ এর ফোনের উপর ভিত্তি করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা চলমান আছে।




