ads

মঙ্গলবার , ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বিএনপি নেতাসহ ৩ জনকে কুপিয়ে আহত করেছে দলীয় প্রতিপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরিণ দ্বন্দ্বের জের ধরে শেরপুরে বিএনপি নেতাসহ ৩জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে দলীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ এলাকায় মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও শেরপুর সরকারি কলেজের সাবেক এজিএস জাকারিয়া বাদল (৪৭), সোহাগ আলম (৩৫) ও রুহুল। এর মধ্যে বাদল ও সোহাগের অবস্থা গুরুতর হওয়া তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

জাকারিয়া বাদলের স্বজন ও ছাত্রদল কর্মী রমজান আলী জানান, কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক লুৎফর রহমানের সাথে বাদলের দ্বন্দ্ব রয়েছে। সম্প্রতি জেলা বিএনপির গ্রুপিং স্থানীয় ওই দুই নেতার সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। আবার হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা নুরে আলমের সাথে তার রাজনৈতিক বৈরিতা অনেক আগে থেকেই। বাদলকে দমন করতে সম্প্রতি শেরপুর জেলা কারাগারে থাকা সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলমের সাথে সাক্ষাত করেন লুৎফর। ওই দুজন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করেন।

সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএনপি নেতা লুৎফর জেল সাক্ষাৎ পরবর্তী এলাকায় গিয়ে কৃষক লীগ নেতা নূরে আলমের লোকজনের সাথে গোপন মিটিং করে প্রতিপক্ষ বাদলকে দমানোর পরিকল্পনা করেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাকারিয়া বাদলসহ ৩ জন একই মোটরসাইকেলে ভীমগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা নুরে আলম ও লুৎফরের অনুসারীরা ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। ওইসময় বাদলসহ ৩ জনকে লক্ষ্য করে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় তারা।

Shamol Bangla Ads

পরে স্থানীয়রা বাদলসহ ৩ জনকে উদ্ধার করে শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে বাদল ও সোহাগের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে প্রেরণ করেন। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এলাকায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ হামলাকারীদের ধরতে সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!