শেরপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও কৃষি অফিসের যৌথ অভিযানে ২০ টন অবৈধ ও ভেজাল জিপসাম সার জব্দ করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী এলাকার একটি গোডাউন থেকে ওইসব সার জব্দ করা হয়। তবে এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জানা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী এলাকার নতুন কুঁড়ি কিন্ডারগার্টেনের পেছনে সেভেন কে.আর বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি সার মোড়কজাত কারখানায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনী ও কৃষি অফিস। ওইসময় অবৈধ চালানে আনা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও কোম্পানীর ৪০০ বস্তায় ২০ টন সার জব্দ করা হয়। এসব সার ইন্ডিয়া জিপসাম, সেভেন গ্লোজিংক, সেভেন বোরনস নামে বাজারজাত করা হচ্ছিল। এসময় সেখানে বিভিন্ন কেমিকেলের ড্রামও পাওয়া যায়। জব্দকৃত সারের মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। অভিযানের সময় সেভেন. কে. আর বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রোপাইটর মো. রুবেল মিয়া পালিয়ে যায়।
অভিযানকালে সেনাবাহিনীর শেরপুর ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন এন.এম নাহিয়ান, শেরপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মুসলিমা খানম নিলু, সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাফিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. মুসলিমা খানম নিলু বলেন, জব্দকৃত সারগুলো ঢাকা থেকে আনা হলেও চালান দেখানো হয়েছে জামালপুর জেলার এস.এস ক্রপ কেয়ারের নামে। সারগুলোর কোন চালানপত্র বা বৈধ কাগজপত্র নেই। এছাড়া সেভেন কেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী রুবেল সাপমারী গ্রামের জনৈক আব্দুস সামাদের গোডাউনটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল সার ফয়েল প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করে আসছিল। ওই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সারগুলোর মান পরীক্ষার জন্য সারের নমুনা ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হবে।




