ads

বুধবার , ১ মে ২০২৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী চরণতলা মেলা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার
মে ১, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ

পূজা অর্চনা, পাঠা বলি, জমজমাট নানাসব খেলনা, আর বাহারি দোকানের পসরার সমাহারের মধ্যে দিয়ে শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ি এলাকার ঐতিহ্যবাহী চরণতলার একরাত্রি-একদিনের কালী পূজা এবং মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল থেকে ১ মে বুধবার সকাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ওই মেলা দেখতে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে হাজার হাজার ভক্তকুল হিন্দু সম্প্রদায়, আদিবাসী সনাতনী হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও স্থানীয় ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরাও ভিড় করেন।

Shamol Bangla Ads

মেলায় নানান খেলনা, মুখরোচক খাবারের দোকান, পূজা-অর্চনার আসবাবপত্র, মেয়েদের নানা পাহাড়ি গয়নার দোকানসহ শিশুদের বিনোদনের জন্য নানান রাইডস বসানো হয় বর্তমান যুগে। তবে এক সময় শুধুমাত্র নাগরদোলা বসানো হতো মেলায়। বর্তমান আধুনিক যুগের কারণে নতুন নতুন বিভিন্ন রাইডস বসানো হয়ে থাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সময় এ মেলায় প্রায় এক হাজার মহিষ ও পাঠা বলি করা হতো। এখন সেই আগের জৌলুস নেই। এখন কেবল শতাধিক পাঠা বলি হয়। কালেভদ্রে কোন কোন বছর মহিষ বলি হয়ে থাকে।

Shamol Bangla Ads

প্রতি বছর বৈশাখ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের প্রথম মঙ্গলবার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকার বিষ্ণপুর গ্রামের চরণতলায় শ্মশান কালীপূজা ও মেলা শত শত বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবার এইমেলার বয়স হল ১০৯ বছর। কালের ব্যবধানে এখন চরণতলার মেলাটি স্থানীয় হিন্দু-মুসলিম পাহাড়ি জনতার মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। তবে পূজা শুরু হয় রাত থেকে এবং রাত বারোটার পর থেকে ভোর পর্যন্ত চলে পাঠা বলি।

স্থানীয়রা জানান, বিষ্ণুপুর গ্রামের এই এলাকাটির ‘চরণতলা’ নাম হওয়ার পেছনে একটি কাহিনী রয়েছে। এই গ্রামে ‘চরণ হাজং’ নামে এক গৃহস্থ ছিল। সে প্রতিদিন গায়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পাহাড়ি নদী সোমেশ্বরী পাড়ি দিয়ে ওপাড়ে তার মেষ চড়াতে যেতেন। একদিন ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে দ্রুত মেষগুলোকে পাড় করে সে নিজেও নদী পার হতে চেষ্টা করেন। কিন্তু নদীর পানির প্রবল স্রোতে চরণ হাজং তলিয়ে যায়। সেই থেকেই এই জায়গাটির নাম ‘চরণতলা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!