শ্যামলবাংলা ডেস্ক : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘেœ করতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়ায় সেনাসদস্যরা ব্যারাকের বাইরে রয়েছেন। বুধবার শীতকালীন মহড়া শেষ হয়েছে। শীতকালীন মহড়া থেকে সেনাসদস্যরা ব্যারাকে না ফিরে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত হবেন। নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন সেনাসদস্যরা।
শীতকালীন মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের পাশাপাশি নির্বাচনকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে বুধবার রাত থেকেই বিভিন্ন ব্যারাক থেকে জেলায় জেলায় যাওয়া শুরু করেছেন সেনাসদস্যরা। প্রতিটি জেলায় সেনাবাহিনীর একটি ব্যাটালিয়ন (৭শ ৪০ জন সেনাসদস্য) মোতায়েন থাকবে। মূলত: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাসদস্যরা থাকবেন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। এর আগেও বিভিন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভোটের দিন সেনাসদস্যদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। ভোটের আগের দিনগুলোতেও যে কোনো সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাসদস্যদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন।
নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য ও সশস্ত্র বাহিনীর ৫০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে একটি সেল গঠন করা হবে। সেনা, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্টগার্ডের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার একজন করে প্রতিনিধি এই সেলে থাকবেন। র্যাব ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলবর্তী এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।




