গাইবান্ধা সংবাদদাতা : জামায়াত-শিবিরের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার বিশিষ্ট সাংবাদিক নুরুজ্জামান প্রধানের ঘরবাড়ি। সব হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন তিনি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবরটি প্রচারিত হলেও কোন ধরণের সরকারি-বেসরকারি সহায়তা মেলেনি এই প্রবীণ সাংবাদিকের। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের সহায়তায় সংসারের প্রতিদিনের খরচ চালাতে হচ্ছে তাকে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভুমিকা রহস্যজনক।
গতকাল মঙ্গলবার গাইবান্ধার সাংবাদিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ, গাইবান্ধা প্রেসক্লাব, টেলিভিশন সাংবাদিক পরিষদ, জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি, অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, গাইবান্ধা জেলা সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদের নেতৃবৃন্দ পলাশবাড়িতে নুরুজ্জামান প্রধানের বাড়িতে যান। সাংবাদিক নুরুজ্জামান প্রধান তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি জানান, ৪০ বছরের সাংবাদিকতার জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানুষের কল্যাণে তিনি কাজ করেছেন। কিন্তু মুহুর্তের মধ্যেই তাকে ওই আগুন পথে বসিয়েছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সভাপতি গোবিন্দলাল দাস, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, সহ-সভাপতি কেএম রেজাউল হক, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রেজাউন্নবী রাজু, সাংবাদিক কুদ্দস আলম, রজতকান্তি বর্মণ, আরিফুল ইসলাম বাবু, খায়রুল ইসলাম, জিআর মুসা তাকে শান্তনা দেন।




