ads

শুক্রবার , ২৯ নভেম্বর ২০১৩ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ের কেউটান পাখিদের চিড়িয়াখানা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ২৯, ২০১৩ ৫:০৫ অপরাহ্ণ

Thakurgaon Bird pic 2নবীন হাসান, ঠাকুরগাঁও : কেউটান এখন পাখিদের গ্রাম। ওই গ্রামে  পাখি প্রেমীদের অনাগোনা প্রতিদিনকার চিত্র। গ্রামের একটি শিমুল গাছে একসঙ্গে এত পাখি দেখে বিস্ময় হচ্ছেন পথচারিরা।
এ গ্রামটি হলো ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার হোসেন গাঁও ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নের  রানীশংকৈল-কাঁঠালডাঙ্গী সড়কে কুলিক নদের পাশে কেউটান গ্রামের শিমুলগাছটিতে এবারও বাসা বাঁধতে শুরু করেছে জলচর পাখি পানকৌড়িরা । উৎসুক শিশু কিশোররা মা-বাবার সঙ্গে তা দেখতে ছুটে যাচ্ছে সেখানে। ওই গ্রামটি যেন এখন চিড়িয়াখানায় পরিণত হয়েছে। পানকৌড়ি ছাড়াও সারস,শালিক,বক,মদনটাকসহ নানা জাতের পাখি নিরাপদে বাসা বেঁধেছে এ গ্রামে। পাখির কলকাকলিতে  গ্রামটি মুখরিত। এখানে ঝোপ জংগল,গাছগাছালি ও  নদ-নদী,খালবিলে পরিপূর্ণ।
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাজেদ জাহাঙ্গীরের মতে, প্রাণীকুলের স্বভাব হলো তারা যেখানে নিরাপদ মনে করে, সেখানেই আশ্রয় নেয়। সেই আশ্রয় বাসাও বাঁধে।নিরাপত্তার কারণেই পানকৌড়িগুলো কেউটান গ্রামের শিমুলগাছে বাসা বছরের পর বছর।
শিমুল গাছটির মালিক যাদব রায় জানান, বছর ছয়েক আগে এক অগ্রাহায়ন মাসের বিকালে চার-পাঁচটি পাখি এসে শিমুল গাছের ডালে বসে । পর দিন আরও কয়েকটি পাখি আসে। এর কয়েকদিন পর পাখিতে ভরে যায় গোটা গাছ । পাখিগুলোকে আগলে রাখতে শুরু করেন গ্রামের মানুষ। পাখিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই পানকৌড়ি।
প্রতি বছর বাড়তে থাকে পাখিদের আনাগোনা। রাতের নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে সকাল হলেই পাখিগুলো খাবারের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। নিড়ে ফিরে আসে আবার সন্ধ্যায়। সারা বছর ওই শিমুল গাছে বিভিন্ন  প্রজাতির কোনো না কোনো পাখি থাকে। তবে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পাখি আসে। সেসময় পাখির কলকাকলিতে মূখর হয়ে উঠে এলাকা।
জানা গেছে রানীশংকৈল-কাঁঠালডাঙ্গী সড়কে কুলিক নদের পাশে সব গাছ ছাড়িয়ে মাথা উঁচু করে আছে একটি শিমুল গাছ। ডালে ডালে শুধু পাখি আর পাখি।
শিমুল গাছটির ১০০ গজ দুরে একটি চায়ের দোকানের মালিক চরণ দাস বলেন ৩শতাধিক পানকৌড়ি এই গাছে বাসা বেঁধেছে। প্রতিবছর এখানে হাজারের ওপর পানকৌড়ি আসে।  দুরদুরান্ত থেকে প্রতিদিনই অনেক লোকজন পাখি দেখতে এখানে আসে।
একটি গাছে কখনও এত পানকৌড়ি একসঙ্গে দেখেননি রানীশংকৈল উপজেলার বাসিন্দা  তাজুল ইসলাম। তিনি বললেন,ঝাঁকে ঝাঁকে অনেক পাখি যখন উড়ে আসে ,তখন দেখতে খুব ভাল লাগে।
স্থাণীয়  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব আলম জানান,পাখি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!