শ্যামলবাংলা ডেস্ক : খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বিদায়ের শেষ কর্মদিন কাটিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাঁদিয়ে, কেঁদেছেন মন্ত্রণালয়ের অধীন দু’জন ডিজিও। আবেগে নিজেও কেঁদেছেন তিনি! সর্বদলীয় সরকারে তার না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ড. আবদুর রাজ্জাক নিজ দফতরে আসেন।

খাদ্যমন্ত্রীর দফতরের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার সকালে দফতরে এসেই তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায় নেওয়ার কথা জানান। মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কাগজপত্র গুছিয়ে দিতে বলেন। মন্ত্রীর কথা শোনার পর তার বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিরোধে চেষ্টা করেছেন। প্রত্যাশিত সফলতা অর্জন করতে পারেননি।
সচিব মোশফিকা ইকফাৎ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অশ্রুসজল চোখে একজন ডিজি বলেন, মন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছেন। এ মন্ত্রণালয়টি ছিল অবহেলিত। অত্যন্ত দুরবস্থার মধ্যে ছিল। সেখান থেকে তিনি মন্ত্রণালয়টিকে টেনে তুলেছেন; খাদ্য মজুদ ধরে রেখেছেন।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে মন্ত্রী দফতর ছেড়ে চলে যান। এ সময় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে গাড়ি পর্যন্ত গিয়ে বিদায় জানান। মন্ত্রীর বিদায়কালে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেককে ডুকরে কাঁদতে দেখা যায়। একজন কর্মচারী বলেন, রাজ্জাক স্যার ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী। আমাদের সুখ-দু:খের কথা শুনতেন। আমি ২০ বছর ধরে এ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত। আজ পর্যন্ত কোন মন্ত্রীকে চোখের জলে বিদায় দেওয়া হয়নি। এবারই তার ব্যতিক্রম।




