এস. গুলবাগী, বগুড়া : ককটেল বিস্ফোরন, টিয়ারসেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে বগুড়ায় ১৮ দলের ডাকা টানা ৬০ ঘন্টা হরতালের দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়েছে।
নির্দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা তিন দিনের হরতালের দ্বিতীয় দিনে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চল অচল হয়ে পড়েছে। কোন ধরনের যানবাহন রাস্তায় বের হয়নি। দোকানপাট বিপনীবিতান সহ সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। হরতালের পিকেটিং-এ নেতাকর্মিদের পাশাপাশি সাধারন মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। ১৮ দলীয় জোটের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে এই অঞ্চলের গ্রাম-গঞ্জের হাজার হাজার মানুষ লাঠি হাতে রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল করেছ্ েফলে বগুড়াসহ গোটা উত্তরাঞ্চলে অন্যরকম এক গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়েছে।হরতাল চলাকালে বগুড়া শহরে মিছিলের উপর টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ,বুলেটের আঘাতে আহত হয় বগুড়া যুবদল সভাপতি সিপাল আলবখতিয়ার সহ কয়েকজন নেতাকর্মী। নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর ছরিয়ে পড়লে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ১৮দলের নেতা কর্মীরা।
বগুড়া সদরে জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক রতন, গাবতলীতে আমিনুল ইসলাম তালুকদার, ধুনটে তৌহিদুল আলম,কাহালুতে জাহাঙ্গীর আলম, নন্দীগ্রামে আবুল কালাম আজাদ, সারিয়াকান্দিতে রিন্টু কাজী, শেরপুরে আব্দুল মান্নান, শিবগঞ্জে সেলিম, সোনতলায় আহসানুল হক তৈয়ব জাকিরের নেতৃত্বে হরতালে পৃথক পৃথক মিছিল হয়। তবে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলে বৃহৎ বিক্ষোভ মিছিল বের হয় শাজাহানপুর উপজেলায়। শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক রতনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাষ্টার আব্দুর রহিম, উপজেলা বিএনপির সিনিঃ যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাশার, যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছার রহমান, আজিজুর রহমান বিদুৎ, জাহেরুল ইসলাম, ফজলুল হক উজ্জল,আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন, সভানেতৃ কোহিনুর আক্তার, আব্দুল হাকিম, আব্দুস সোবহান,যুবদল সভাপতি এনামুল হক সাহিন, জামায়াত নেতা হাসান আলী মন্ডল, বিএনপি নেতা বাচ্চু মিয়াসহ ১৮দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




