ads

শুক্রবার , ৬ জুলাই ২০১৮ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবস পালিত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৬, ২০১৮ ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্মৃতি সংরক্ষণ, স্বাধীনতা উদ্যান প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস লিপিবদ্ধ করার দীপ্ত শপথের মধ্য দিয়ে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঐতিহাসিক কাটাখালি-রাঙ্গামাটিয়া যুদ্ধ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৬ জুলাই শুক্রবার দুপুরে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত শহীদ নাজমুল আহসান, তার সহযোদ্ধাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন, মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা ১৮ বছর’ এর যৌথ উদ্যোগে কাটাখালি সেতু অঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুস সামাদ। ওই সময় কাটাখালি ও রাঙ্গামাটিয়া যুদ্ধের শহীদদের নাম ও ঘটনার বর্ণনা সম্বলিত স্মৃতিফলক উন্মোচন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মল্লিক আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবাগত পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘরের পরিচালক উৎপল কান্তি ধর। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মর্কতা রুবেল মাহমুদ, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌরমেয়র মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম উকিল, মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘরের সদর নেটওয়ার্কের সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল গনি, নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা আয়শা খাতুনের ছেলে আশরাফ আলী, শহীদ নাজমুল আহসানের ছোট ভাই সদরুল আহসান, সহযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক এমএ হাকাম হীরা, কার্টুনিস্ট রাঙা শাহীন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৫ জুলাই রাতে শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়কের কাটাখালি সেতুতে অপারেশন শেষে ৬ জুলাই ঝিনাইগাতীর রাঙ্গামাটিয়া গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাক হানাদার বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এতে কোম্পানী কমান্ডার নাজমুল আহসান ও তাঁর পরিবারের ২ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনসহ ১২ জন শহীদ হন। ওই সময় হানাদার বাহিনী অর্ধ-শতাধিক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং নিরীহ নারীদের ধর্ষণ করে। স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরে হলেও গত বছর রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের ৩ নারীকে সরকার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু শহীদ পরিবারগুলোর কোন স্বীকৃতি মেলেনি আজও। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘অপারেশন কাটাখালি’ ও ‘রাঙ্গামাটিয়া যুদ্ধ’ এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। প্রতি বছর ৬ জুলাই ওই দিবসটি পালন করা হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads