স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ জুন শনিবার বিকেলে জেলা জজ আদালতের সভাকক্ষে আয়োজিত ওই কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এম এ নূর। ওইসময় তিনি ফৌজদারী মামলা দ্রুত নিস্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসির পারস্পারিক সম্পর্ক উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একটি মামলার তদন্ত থেকে শুরু করে বিচারিক পর্যায় পর্যন্ত সকল সমস্যা ও তা নিরসনের উপায় চিহ্নিত করে বিচারক, আইনজীবী, চিকিৎসক ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সদিচ্ছা নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া ফৌজদারী মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিসহ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
নবাগত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দাসের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবাগত বিচারক মোঃ আখতারুজ্জামান ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন। ওইসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) খন্দকার খালিদ বিন নূর, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সুলতান মাহমুদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীর তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব, স্পেশাল পিপি এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু প্রমুখ। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় কনফারেন্সে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ সুলতানা ও বেগম মোমিনুন্নিছা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কনফারেন্সে আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিতি, আগমন ও প্রত্যাগমনের সময় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তদন্তকার্যে অপ্রত্যাশিত বাঁধাসমূহ দূরীকরণ, জেল-হাজত হতে বন্দিদের সময়মতো আদালতে হাজিরা নিশ্চিতকরণ গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ারা জারি করতে ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ, আদালত প্রাঙ্গণ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মালখানা হতে জব্দকৃত আলামতসমূহ সময়মতো আদালতে উপস্থাপন এবং মামলার তদন্তে বিলম্বের কারণ অনুসন্ধান ও তা নিরসনের উপায় নিয়ে বিশদ আলোকপাত করা হয়।




