ads

মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬ | ২০ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পাঁচ বছরের মধ্যে হরমুজ প্রণালির প্রয়োজন ফুরিয়ে যেতে পারে: এইচএসবিসি প্রধান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৭:০১ অপরাহ্ণ

ইরান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে অপ্রাসঙ্গিক করে তুলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন এইচএসবিসি গ্রুপের প্রধান নির্বাহী জর্জেস এলহেদেরি। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এইচএসবিসির ‘ফিউচার ফোরাম’ অনুষ্ঠানে জর্জেস এলহেদেরি এই মন্তব্য করেন।

Shamol Bangla Ads

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাত বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীলতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে। সংঘাতের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।

চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো বন্দর পর্যন্ত জ্বালানি পরিবহনের জন্য পাইপলাইন নির্মাণসহ বিকল্প অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এইচএসবিসি প্রধানের মতে, এসব বিনিয়োগ সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে অঞ্চলটির পুনরুদ্ধার এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।

Shamol Bangla Ads

এলহেদেরি বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই অঞ্চল সংকট কাটিয়ে পুনরুদ্ধার করতে পারবে এবং এরপরও প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে। তবে এর জন্য বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।’ এলহেদেরি আরও বলেন, ‘অবশ্যই আমরা সংঘাতের একটি সমাধান দেখতে চাই এবং সেই আশা করি। তবে সম্ভবত পাঁচ বছর পর হরমুজ প্রণালি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেতে পারে।’

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর অন্যতম প্রধান পথ এটি। ফলে এই নৌপথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ, মূল্য এবং পরিবহন ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও তুরস্কে অবকাঠামো উন্নয়নের বড় ধরনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে এইচএসবিসি। গতকাল সোমবার প্রকাশিত ব্যাংকটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য মোট ৮৭ হাজার ২০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি পরিকল্পনাধীন এবং এখনো চূড়ান্ত বরাদ্দ না পাওয়া অবকাঠামো প্রকল্পের বৃহত্তর তালিকায় রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ।

দুবাইভিত্তিক নির্মাণ শিল্পবিষয়ক বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান এমইইডির তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিকল্প পাইপলাইন ও বন্দর অবকাঠামো উন্নত হলে হরমুজ প্রণালির ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর নির্ভরতা কমতে পারে। তবে প্রণালিটির বর্তমান কৌশলগত গুরুত্ব কতটা কমবে, তা নির্ভর করবে বিকল্প পরিবহনব্যবস্থার সক্ষমতা, বিনিয়োগের গতি এবং আঞ্চলিক সংঘাতের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর।

Need Ads