‘সুস্থ্য দেহ, সুন্দর মন, গড়ে তোলে ক্রীড়াঙ্গন’ এ শ্লোগানে শেরপুরে ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ জেলা পর্যায়ের খেলাধুলা সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি, শেরপুর জেলার আয়োজনে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে শহরের শহীদ দারোগ আলী পৌরপার্ক মাঠে বালক ও বালিকা দু’টি পৃথক গ্রুপে কাবাডি, হ্যান্ডবল. দাবা ও সাঁতার প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় হ্যান্ডবলে বালক গ্রুপে সদরের সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী চ্যাম্পিয়ন এবং নকলা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় গৌরদ্বার উচ্চ বিদ্যালয় রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। হ্যান্ডবল বালিকায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নকলার গৌড়দ্বার উচ্চ বিদ্যালয় এবং সদরের ছনকান্দা ডা. এম.টি হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় রানারআপ হয়েছে। কাবাডি খেলায় বালকে নকলার চিথলিয়া দাখিল মাদ্রাসা চ্যাম্পিয়ন এবং সদরের ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসা রানারআপ হয়েছে। কাবাড়ি বালিকায় সদরের ছনকান্দা ডা. এম.টি হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও নকলার চিথলিয়া দাখিল মাদ্রাসা রানারআপ হয়েছে।
জি. কে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ বুলবুল হলরুমে অনুষ্ঠিত দাবা খেলায় বালক বড় গ্রুপে সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী এবং মধ্যম গ্রুপে ঝিনাইগাতী পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দাবা’র বালিকায় বড় গ্রুপে শেরপুর মডেল গার্লস ইনস্টিটিউট এবং মধ্যম গ্রুপে শেরপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এদিকে, জি,কে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে বালক ও বালিকাদের পৃথক বড় ও মধ্যম দু’টি গ্রুপে ৪টি ইভেন্টে (মুক্ত, প্রজাপতি, বুক ও চিৎ সাঁতার) সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলা শেষে জি, কে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ বুলবুল হলরুমে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে সনদপত্র ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন প্রধান অতিথি এবং পুলিশ সুপার এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এসময় অতিথিরা মাদক ও বাল্যবিয়ে থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্ত থাকার আহ্বান জানান এবং লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলতে উদ্দীপনামুলক বক্তব্য প্রদান করেন।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান-এর সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্চিতা বিশ্বাস। এসময় জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, ক্রীড়া শিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক, খেলার পরিচালক, প্রতিযোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।




