ads

বুধবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার পথে ধর্ষণ মামলার বাদীকে মারধরের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ৮:২০ অপরাহ্ণ

শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের ঘটনার মামলায় আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার পথে বাদীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

মামলা সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার কামারেরচর ৬নং চর গ্রামের হতদরিদ্র কৃষকের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী কন্যাকে ফুসলিয়ে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই গ্রামের মো. আজমত আলী ওরফে টেমুর ছেলে মো. শিপন মিয়া ওরফে ফকির (২৩)। এতে ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ফের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাকে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত করায় শিপন মিয়া। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শিপন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন ওই কিশোরীর বাবা। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে শেরপুর জেলা সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দেন।

পরবর্তীতে সিআইডির উপপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন মামলাটির তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডাক্তারি সনদপত্র পর্যালোচনায় ধর্ষণ ও গর্ভপাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামি শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে শিপন মিয়া ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের কিছুদিন পর জামিনে বের হয়ে আসেন। ইতোমধ্যে মামলাটির অভিযোগ গঠন শেষে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য হয়। এরপর থেকে শিপন মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ার সুবাদে বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে মামলা তুলে নিতে শুরু হয় হুমকি-ধামকী।

Shamol Bangla Ads

৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষী দিতে আসার সময় ৬নং চর গ্রামে মামলার বাদী ও ওই কিশোরীর বাবার উপর হামলা চালায় আসামি পক্ষ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই ঘটনায় ৫ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, হাসপাতালে গিয়েও শিপনের আত্মীয় সরকারি কর্মচারি মো. রুহুল আমিন ও তার ভাই মামলার বাদীকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসামি শিপনের ওই আত্মীয় মো. রুহুল আমিন জানান, আমি তাদের কোন হুমকি দেইনি। এসব মিথ্যা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Need Ads