ads

রবিবার , ৩০ আগস্ট ২০২৬ |
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বিলিয়ন ডলারের সম্পদ সচল করতে থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকা : সংসদে বিমানমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
আগস্ট ৩০, ২০২৬ ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিরোধী দলের নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ-এর আনীত অভিযোগের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এটি ঠিকাদারকে নতুন করে দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া নয়, বরং ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিশাল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিকে দ্রুত সচল করে রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পদক্ষেপ।

Shamol Bangla Ads

৩০ আগস্ট রবিবার সম্পূরক প্রশ্নে অভিযোগ উত্থাপন করে জানান, আন্তর্জাতিক টার্মিনালের প্রাক্কলিত ব্যয় ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে কয়েক দফা বৃদ্ধি পেয়ে ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। সেখানে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দপ্তর তদন্ত করে প্রায় ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে এবং ঠিকাদারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুপারিশ করা সত্ত্বেও কাজের প্রায় ৯৯.৯১ শতাংশ শেষ হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে পুনরায় ৯০২ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা ঠিকাদারকে দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়ার শামিল কি না, তা তিনি জানতে চান।

সংসদ সদস্যের এই প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শুধুমাত্র ভবন উদ্বোধন করেই কাজ শেষ বলে চালিয়ে দেওয়ার একটা প্রবণতা ছিল। কিন্তু বাস্তবে থার্ড টার্মিনালের মেশিনারিজ ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সংকেত বা সংযোজন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। টার্মিনালে প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাষ্ট্রীয় সম্পদ পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এর ফলে সরকার একদিকে এটি ব্যবহার করতে পারছিল না, অন্যদিকে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার কাছ থেকে নেওয়া ঋণের বড় অঙ্কের কিস্তি এরইমধ্যে পরিশোধ করা শুরু হলেও অবকাঠামো সচল না থাকায় কোনো আয় হচ্ছিল না।

Shamol Bangla Ads

মন্ত্রী সংসদে আরও নিশ্চিত করে জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সার্বিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করে দেখেছে যে, কাজ চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন করা, ঠিকাদারের আগে থাকা কিছু বকেয়া পরিশোধ এবং অন্যান্য সংস্থার বকেয়া মিটিয়ে অবকাঠামো চালুর জন্য স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই ৯০২ কোটি টাকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এই অর্থ অনুমোদন দেওয়া না হলে সুবিশাল টার্মিনালটি পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকত, যা জাতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতো। অতিরিক্ত এই বরাদ্দ অনুমোদন হলে খুব দ্রুতই টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হবে এবং বর্তমান ১.২ মিলিয়ন যাত্রীর জায়গায় দ্বিগুণ যাত্রী সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে জাইকার ঋণ সহজেই পরিশোধ করা যাবে। সেই লক্ষ্যেই পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে।

সংসদের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নে বিমানের অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট কালোবাজারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান ভাড়া হঠাৎ ৬ হাজার টাকা থেকে লাফিয়ে দ্বিগুণ বা ১২ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়, যা যাত্রীসাধারণের জন্য মারাত্মক অসহনীয় ও অস্বাভাবিক। এই ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়।

উত্তরে বিমানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে কারণ কোনো সাধারণ ওয়ান-ওয়ে টিকিটের দাম কখনো ১২ হাজার টাকা স্পর্শ করেনি। সাধারণত রিটার্ন টিকিটের দাম বা বিশেষ ট্যাক্সসহ খরচ হিসাব করলে এটি সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে বেসিক টিকিট প্রাইস নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থাকে, যার ওপর সরকারকে প্রায় ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হয়। সব মিলিয়ে একটি টিকিটের স্বাভাবিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৬ হাজার ৩০০ থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads