ads

মঙ্গলবার , ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অর্থবছরের সময়কাল বদলাচ্ছে, এপ্রিল-মার্চ হবে নতুন অর্থবছর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ১৮, ২০২৬ ১২:১৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছর হিসাব করা হলেও ভবিষ্যতে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত অর্থবছর নির্ধারণ করা হবে। এ পরিবর্তনের আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তী বা ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে নয় মাসে শেষ করা হবে।

Shamol Bangla Ads

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছর হবে নয় মাসের। অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ওই অর্থবছর চলবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত অর্থবছর কার্যকর হবে। সোমবার রাতে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের যুক্তি, বর্তমানে জুলাই-আগস্ট মাসে বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণকে যুক্তিসংগত মনে করছে সরকার।

Shamol Bangla Ads

অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ বিভাগ, অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে একটি কমিটি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধান ও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।

নতুন অর্থবছর চালুর সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সিস্টেমেও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হবে। এসব পরিবর্তন বাস্তবায়নের পর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে এপ্রিল-মার্চ সময়সূচি অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সরকার মনে করছে, নতুন অর্থবছরের সময়সূচি চালু হলে বর্ষাকালকে এড়িয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি অর্থবছরের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন ব্যয় করার প্রবণতাও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!