ads

সোমবার , ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

একাত্তরে মানবতাবিরোধী মামলায় শেরপুরের ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবি

জাহাঙ্গীর হোসেন, নকলা
আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ওই ৩ জন নেতাকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল মনসুর। ১৭ আগস্ট সোমবার দুপুরে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

Shamol Bangla Ads

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল মনসুর বলেন, ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম নকলা উপজেলায় ৬০ জন আলবদর ও রাজাকারের তালিকা নিয়ে আসেন। তৎকালীন রাজনৈতিক চাপে ওই তালিকায় আমরা সাক্ষর করতে বাধ্য হই। ওই তালিকায় বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোখলেছুর রহমান তারা, অ্যাডভোকেট একেএম আকরাম হোসেন ও নকলা হাজী জাল মামুদ কলেজের সাবেক প্রভাষক এসএম আমিনুজ্জামান ফারুকের নাম অর্ন্তভূক্ত ছিল। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স অনুযায়ী এ ধরনের বাহিনীর সাথে সংযুক্ত থাকার বিষয়ে আমার গুরুতর আপত্তি রয়েছে। এমনকি ওই ৬০ জনের তালিকার সত্যতারও ভিত্তি নেই। পরবর্তীতে ওই ৩ জনের নাম যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা যুক্ত করা হয়, যা ভিত্তিহীন। তারা ৩ জনই ওই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এতে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ও সামজিক মানসম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কখনোই নিরপরাধ কোন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক বা মতাদর্শের কারণে হয়রানী করার শিক্ষা দেয় না। তিনি ওই মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Shamol Bangla Ads

ওইসময় ৩ নেতার স্বজন ও বিএনপি নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স ছিল ১০-১২ বছর। আর মামলার অনেক সাক্ষীদের বয়সও তখন ৭-৮ বছর ছিল। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তাদের সাজা দিয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। অবিলম্বে ওই ৩ জনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মো. আব্দুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন বাদশা, উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন মুক্তার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এনামুল হক রিপন, নকলা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুরাদুজ্জামান মাসুম, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ছানোয়ার হোসেন অভি, মোখলেছুর রহমান তারার ছেলে মো. তানিম, একেএম আকরাম হোসেনের ছেলে রায়হান হোসেন রিবু, ধুকুড়িয়া এজেড টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল আলমসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!