অবশেষে মুচলেকায় ছাড়া পেয়েছেন নারীসহ আটক শেরপুর জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলী। ১২ আগস্ট বুধবার বিকেলে সদর থানায় মুচলেকা দেয়ার পর তাদের দুজনকে পাসপোর্ট অফিসের স্টাফদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা।

এদিকে এই ঘটনার পর সহকারী পরিচালক রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. নূরুল হাফিজ। তিনি বলেন, রুস্তম আলীকে আপাতত অফিসের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়ভাবেও শেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে শেরপুর শহরের নবীনগর এলাকাস্থ পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় অবস্থিত সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলীকে তার বাসভবন থেকে নারীসহ হেফাজতে নেয় পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে সহকারী পরিচালকের বাসভবনে এক অপরিচিত নারীকে প্রবেশ করতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তারা সেখানে অবস্থান করেন এবং পরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলী ও ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। এ সময় তার বাসায় খালি মদের বোতলও পাওয়া যায়। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী রুস্তম আলীর দূরসম্পর্কের শালী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।




